কৃষিপণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল।
ফাঁকা বুলি কিংবা প্রচারণায় নয়, বরং বাস্তব কাজের মাধ্যমেই এলাকার চেহারা বদলে দিতে চান ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। এলাকার দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট নিরসনে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৮০ শতাংশ উন্নয়ন কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, “উন্নয়নের ফানুস ওড়ানো বুলিতে আমি বিশ্বাস করি না। যেখানেই যাই, দেখি রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ বা মাদ্রাসার অভাব। খালি ‘নাই আর নাই’। তবে এই পাঁচ বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ভাগ কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি।”
আজ (সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গার মানিকদহ ইউনিয়নে পলাশ দত্তের বাড়িতে আয়োজিত একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে এবং নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, কৃষিপণ্যের সঠিক ও আধুনিক বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি ও কৃষকের অধিকার রক্ষায় সরকারের নানা ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। মেহনতি কৃষক যাতে তাঁদের শ্রমের উপযুক্ত পাওনা পান, সে লক্ষ্যে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও সুসংহত করা হচ্ছে।
এলাকার অবহেলিত যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র ও তা উত্তরণের পরিকল্পনা তুলে ধরে শহিদুল ইসলাম বাবুল জানান, অব কাঠামোগত দীর্ঘদিনের ঘাটতি কাটিয়ে তুলতে ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকায় চিহ্নিত ১৫০ থেকে ১৬০টি রাস্তার মধ্যে ভাঙা ও পাকা মিলিয়ে প্রায় ১০০টি রাস্তার সরকারি অনুমোদন ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই এসব সড়কের নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু হবে। উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিতকরণে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরাসরি তদারকির আহ্বান জানান এমপি বাবুল। তিনি বলেন, “কাজের মান যেন কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের না হয়, সেদিকে স্থানীয়দের সরাসরি নজর ও তদারকি রাখার অনুরোধ করছি।” সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে জনগণকে সজাগ ও সোচ্চার থাকার তাগিদ দেন তিনি।

