ফরিদপুরের মধুখালীতে ৬ বছর বয়সী শিশু কণ্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় হাকিম বিশ্বাস (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ৭ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন। রায় ঘোষনার সময় দন্ডপ্রাপ্ত হাকিম বিশ্বাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ০২ আগস্ট শিশুটির মা সহ অন্য সদস্যরা একটি এনজিও থেকে ঋন নেওয়ার জন্য উপজেলা সদরে যান। শিশুটি বাড়িতে একা থাকার সুযোগে প্রতিবেশী হাকিম বিশ্বাস বাড়িতে গিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক টয়লেটে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে শিশুটির মা সহ অন্য সদস্যরা বাড়িতে আসলে বিষয়টি জানায় প্রতিবেশীরা। পরদিন এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে মধুখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন জানান, শিশু কণ্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় হাকিম বিশ্বাস নামের ব্যক্তিকে ৭ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক। একই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। দীর্ঘ স্বাক্ষ্য ও শুনানী শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার রায় ঘোষনা করেন আদালতের বিচারক। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এই রায়ের মধ্য দিয়ে সমাজে এধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করি।

