ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান, নগদ ৩২ হাজার ৮৫ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১০-এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ভাঙ্গা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ৪১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানের চালক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার পৈকখালী গ্রামের মো. রফেস মীরের ছেলে মো. মাইনুল ইসলাম (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩১ হাজার ১৮৫ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়। অন্যদিকে, একই দিন দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে ভাঙ্গা টোল প্লাজার পূর্ব পাশে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে পৃথক অভিযান চালায় এসআরবি সদস্যরা। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ৭১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এসব সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কোলকাতা ভোগদীয়া গ্রামের মৃত হাসেম ভূইয়ার ছেলে মো. আলী হোসেন (৫৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে নগদ ৯০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এসআরবি সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে গাঁজা, উইনসেরেক্স সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও জব্দ করা মালামালসহ গ্রেপ্তার দুজনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।


