ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রীতি প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ খেলায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে ফরিদপুর পৌরসভা দল। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে পৌরসভা দলের পক্ষে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন সবুজ। প্রদর্শনী ম্যাচ হলেও শুরু থেকেই খেলায় ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ। দুই দলের খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মাঠে তৈরি হয় আনন্দঘন আবহ। ম্যাচটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল খেলোয়াড়দের বয়সের বৈচিত্র। উভয় দলে প্রায় ৫০ জন করে খেলোয়াড় অংশ নেন। ৮ বছর বয়সী শিশু থেকে শুরু করে ৬০ বছরের বেশি বয়সী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী হয়ে ওঠে এ আয়োজন। বয়সের ব্যবধান ভুলে সবাইকে একই মাঠে খেলতে দেখা যায়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিন্টু বিশ্বাস, জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ এস এম মইনুল হোসেন, ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুল আলম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আল আমিন খন্দকার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মতিয়ার রহমান মোকসেদ এবং সদস্য আলী রেজওয়ান বিশ্বাস তরুণসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। খেলা পরিচালনা করেন রেফারি জহিরুল ইসলাম জিননাহ। তাঁকে সহযোগিতা করেন প্রিয়ন্তি দে ও মো. আশরাফ। খেলা শেষে উভয় দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এ ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, বয়সের ব্যবধান ভুলে খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজন কর্মব্যস্ততার বাইরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করবে।


