Monday, 5 October 2026
  • Home  
  • ট্রলির টাকা না দেওয়ায় মেলেনি সেবা, ফরিদপুর মেডিকেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ
- ফরিদপুর জেলার খবর

ট্রলির টাকা না দেওয়ায় মেলেনি সেবা, ফরিদপুর মেডিকেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ চার বছরের শিশুকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর ট্রলির জন্য টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় সময়মতো ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ (সোমবার, ০৫ অক্টোবর) বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন (৪)। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ, […]

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ চার বছরের শিশুকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর ট্রলির জন্য টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় সময়মতো ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আজ (সোমবার, ০৫ অক্টোবর) বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন (৪)। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে।

স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রলি প্রয়োজন হয়। কিন্তু ট্রলির জন্য টাকা দাবি করা হলে তারা তা দিতে পারেননি। এ কারণে শিশুটিকে দ্রুত ভেতরে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায় শিশুটিকে একজন অক্সিজেন মাস্ক পরিহিত কোলে নিয়ে আছেন এবং আরেকজনের হাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং আরেক জন স্যালাইন হাতে নিয়ে জরুরি বিভাগের দিকে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ভিডিওতে আরো শোনা যায় মেডিকেল হাসপাতালে রোগীদের এইভাবেই ট্রলি ছাড়া অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইন ব্যাগ হাতে নিয়ে যেতে হয়। একপর্যায়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তার মৃত্যু হয়।

শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে জরুরি মুহূর্তে অর্থের বিনিময়ে ট্রলি বা এ ধরনের মৌলিক সেবা পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, ট্রলি না পাওয়ার সঙ্গে মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এবং ওই সময় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি, ফলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আসিফুল আলম জানান, “ব্যাপারটি কেন ঘটল এবং কারা এর সাথে জড়িত, তা আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “হাসপাতালের এসব ‘ট্রলি সন্ত্রাসী’দের বিরুদ্ধে দ্রুত যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পাদক ও প্রকাশক :

নির্বাহী সম্পাদক :

যোগাযোগ :

Email Us:nagorikbarta2026@gmail.com

হটলাইন :017xxxxxxxxxxx