Saturday, 17 October 2026
  • Home  
  • ডায়মন্ড জুয়েলারি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণায় উদ্বিগ্ন বৈধ ব্যবসায়ীরা
- অর্থনীতি

ডায়মন্ড জুয়েলারি নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণায় উদ্বিগ্ন বৈধ ব্যবসায়ীরা

ডায়মন্ড জুয়েলারি নিয়ে সাম্প্রতিক নেতিবাচক প্রচারণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটি বলেছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া সমগ্র ডায়মন্ড ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হলে বৈধ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানায় বাজুস। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন। সম্প্রতি ‘নকল হিরায় বাজার সয়লাব’ এবং […]

ডায়মন্ড জুয়েলারি নিয়ে সাম্প্রতিক নেতিবাচক প্রচারণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সংগঠনটি বলেছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া সমগ্র ডায়মন্ড ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হলে বৈধ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানায় বাজুস। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন।

সম্প্রতি ‘নকল হিরায় বাজার সয়লাব’ এবং ‘হিরার নামে কাচ কিনছে মানুষ’ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বাজুসের দৃষ্টিগোচর হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এসব প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে দেশের বৈধ ও নিবন্ধিত ডায়মন্ড জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।

বাজুসের দাবি, প্রায় ১৫ বছরের শ্রম ও বড় বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে ডায়মন্ড জুয়েলারি খাত গড়ে উঠেছে। নেতিবাচক প্রচারণার কারণে সামর্থ্যবান ক্রেতারা দেশে কেনাকাটা না করে ভারত, হংকং, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে ডায়মন্ড জুয়েলারি কিনতে পারেন। এতে দেশীয় ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংগঠনটি বলেছে, বাজুসের কোনো সদস্য নকল হীরা বিক্রি করছেন—এমন কোনো প্রমাণ বা অভিযোগ তাদের কাছে নেই। দেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব সুবিধা রয়েছে। ফলে কোনো হীরা আসল না নকল, তা অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব।

বাজুস জানায়, ঢাকা মহানগরীতে বর্তমানে প্রায় ৩৫০টি ডায়মন্ড জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সংগঠনটির সদস্য হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেই বাজুসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

তাদের অভিযোগ, নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়া, বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমে আসা এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বাজুসের ভাষ্য, ডায়মন্ড জুয়েলারি খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী, কারিগর ও কর্মচারী এবং তাদের পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। এ খাত নিয়ে অসত্য, অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’

ডায়মন্ড ব্যবসায় কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার অভিযোগ থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে বাজুস। সংগঠনটি বলেছে, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও তথ্যভিত্তিক অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

বাজুস বলেছে, সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ডায়মন্ড জুয়েলারি খাত নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পাদক ও প্রকাশক :

নির্বাহী সম্পাদক :

যোগাযোগ :

Email Us:nagorikbarta2026@gmail.com

হটলাইন :017xxxxxxxxxxx