তুহিনের মামলা নিয়ে আসিফের স্ট্যাটাস

তুহিনের মামলা নিয়ে আসিফের স্ট্যাটাস
অন্যের গান ডিজিটালে রূপান্তর করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করার অভিযোগ এনে গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিন তেজগাঁও থানায় ২০১৮ সালের ৪ জুন সন্ধ্যায় আসিফের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সে মামলায় কারাগারেও যেতে হয় আসিফকে।

মামরার বিষয়য়ে আসিফ আকবর নিজের ভেরিভায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন,

“আনকাট সেন্সর পেয়েছে গহীনের গান। একশো তিরিশটা গান গাওয়ার প্ল্যান ছিলো এ বছর, নব্বইটির মত গাওয়া শেষ। আরো প্রায় পয়তাল্লিশটা গান ভয়েস দেবার অপেক্ষায়। এর মধ্যে ইসলামী গান গাওয়ার জন্য নিজেকে মানসিক ভাবে প্রস্তুত করেছি।একশো দশটা হামদ এবং নাত গাইতে হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে। কথা দিয়ে দিয়েছি গাইবো, সাধ্যমত চেষ্টা করছি সহি ভাবে গাইবার জন্য। সুস্থ্য যদি থাকি ইনশাল্লাহ কথার বরখেলাপ হবেনা, কারন জীবন আর জবান আমার কাছে সমান্তরাল শব্দ। শুটিং থেকে মুক্তি দিয়ে আমাকে ধন্য করেছেন লগ্নীকারী প্রযোজকগন। আর হয়তো তিনটা গানের শুট করতেই হবে, নইলে কিছু মন ভেঙ্গে যাবে।

আমার বেশীরভাগ জনপ্রিয় এ্যালবাম মুক্তি পেয়েছে শনিবার কিংবা তেরো তারিখ। শনি আমার জন্মবার, তেরো আমার প্রিয় লাকী তারিখ, কুসংস্কারকে আগেই সংস্কার করেছি। তেরো তারিখ সিআইডি মামলার চার্জশীট দিয়ে আমার নিজস্ব স্টাইলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করলো, তাদের ধন্যবাদ। আমিই মনে হয় পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য আসামী, যে নিজের মামলার দ্রত চার্জশীটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম। কারন চার্জশীট ছাড়া আমিও আমার তরফে আইনী প্রক্রিয়ায় ঢুকতে পারছিলাম না, আমার আইনজীবিরা তারিখের পর তারিখ চাননি মাননীয় আদালতের কাছে।এখন চাই দ্রুত বিচারকার্য শুরু এবং শেষ হউক, আমিও রায়ের অপেক্ষায় থাকবো।

এ শহরের কোন বালুকনা জানেনা আমিও ধুলিকনা হয়ে একদিন তাদের সাথে হাওয়ায উড়ে বেড়াতাম, কখনো কাদা হয়ে আবারও শুকিয়ে খটখটা হতাম।তারপর আর উড়িনি, কাদাও হইনি, অনেক ধুলিকনা জমে পাথর হয়ে গেছি। গায়ে গতরে বড় হওয়ায় সবার নজরে এসেছি, সেই পাথরে একটা ক্যাকটাস ফুল ফুটেছে, নাম আসিফ আকবর। পাথর নিজের শরীরের শ্যাওলাকে পরিস্কার করার সক্ষমতা রাখেনা, তাই পিচ্ছিল পাথরে মানুষ আহত হয়।আমাকে যারা ভালবাসেন তারা আহত হয়েছেন এসব মামলা মোকদ্দমায়, ছুড়ে ফেলে দেননি আমায়। আমিও কথা দিচ্ছি - সুরকার গীতিকারদের টাকা আমি মেরে দেইনি, ওরা সাতবার পুনর্জন্ম নিলেও প্রমান করতে পারবেনা। সুতরাং ধৈর্য্য ধরুন, শান্ত থাকুন, কোনরকম অস্থিরতা প্রদর্শন না করে আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ রাখুন।

ভালবাসা অবিরাম...

এটা ১৩/১১/১৯ শে সোহেল মেহেদী ভাইয়ের তুলে দেয়া একটি পোজ দেয়া ছবি...”

নাবা/ডেস্ক/কেএইচ/

রিলেটেড নিউজঃ