চীনের আদালতে জাপানি এমপির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চীনের আদালতে জাপানি এমপির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জাপানের সাবেক এক সংসদ সদস্যকে চীনের একটি আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সাবেক জাপানি সংসদ সদস্যের নাম তাকুমান সাকুরাগি। তিনি জাপানের মধ্যাঞ্চলের আইছি অঞ্চল থেকে নির্বাচিত দেশটির সাবেক সংসদ সদস্য।

অভিযুক্ত ওই জাপানি এমপিকে চীনে মাদক পাচারের মামলায় এ দণ্ড দেয়া হয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, শুক্রবার চীনে মাদক পাচারের অভিযোগে ৭৬ বছর বয়সী তাকুমানকে দোষীসাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন গুয়াংঝুর প্রাদেশিক আদালত। 

গত ছয় বছর ধরে এ মামলাটি চলছিল। ২০১৪ সালে মামলার শুনানি শেষ হলেও আইনি জটিলতায় পড়ে সে সময় রায় দেয়া যায়নি।

স্ক্যাম্প নিউজ জানিয়েছে, ২০১৩ সালে চীনের গুয়াংঝু প্রদেশের বেইয়ান বিমানবন্দর থেকে আটক হন জাপানের ওই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। সেদিন তার লাগেজ তল্লাশি করে প্রায় তিন কেজি তিনশ গ্রাম মেথামফেটামিন নামক মাদক জব্দ করা হয়।

মামলার শুরু থেকেই মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করে আসছেন তাকুমান সাকুরাগি। তার লাগেজে পাওয়া সেসব মাদক তার ছিল না, তাকে কেউ ফাঁসিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। 

তবে আদালতে এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি তিনি। অবশেষে পাঁচ বছর ঝুলে থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেন এই সাবেক জাপানি এমপি।

উল্লেখ্য, চীনে আইন অনুযায়ী ৭৫ বছরের বেশি বয়স্কদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় না। তবুও এ দণ্ডে দণ্ডিত হতে হলো সাকুরাগিকে। কারণ চীনে মেথামফেটিন বহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই মাদকের ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম ঘটল।

প্রসঙ্গত, মেথামফেটিন একটি স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজক ওষুধ। এটি খুব বেশি মাত্রায় নেশা উদ্রেক করে। এ রাসায়নিককে স্নায়ুবিষ বলে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। এটি ব্যবহারে অলীক সব কল্পনায় ভুগতে থাকে ব্যবহারকারী।

নাবা/ডেস্ক/কেএইচ/

রিলেটেড নিউজঃ