ঘূর্ণিঝড় বুলবুল পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে সরকার

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে সরকার

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ খবর অনুযায়ী আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বেশ কয়েকটি জেলায় শক্তিশালী আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।

ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে সম্ভাব্য ক্ষতির কবলে পড়তে যাওয়া এলাকার মানুষকে রক্ষায়। তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এবং পর্যাপ্ত খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয়ের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুমে বসে সারাদেশের ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান এমপি। পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগীতায় সেখানে উপস্থিত আছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামালসহ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপকমিটির সদস্যবৃন্দ।

আরও পড়ুন: মোংলা-পায়রা বন্দরে ৭ নম্বর, চট্টগ্রামে ৬ নম্বর সতর্কতা সংকেত

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ৭ জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমান।

তিনি জানান, বুলবুল যদি শক্তিশালী রূপে আঘাত হানে, তবে ওই জেলাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতিঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত্রির মধ্যে এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। বুলবুলের কারণে ৫ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আরও পড়ুন: 'বুলবুলের' প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

এছাড়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় উপকূলবর্তী সকল জেলা, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও প্রায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকার জনগণকে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে আজ বিকেল ৩টায় সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে উপকূলবর্তী খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ ১৩ জেলায় ২ হাজার প্যাকেট করে মোট ২৬ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার এবং প্রতি জেলায় ৫ লাখ টাকা করে অগ্রিম বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


নাবা/ডেস্ক/তারেক

রিলেটেড নিউজঃ