কোথায় আছেন তরুণী-গৃহবধূ সুইটি!

কোথায় আছেন তরুণী-গৃহবধূ সুইটি!

চাঁদপুরে তরুণী এক গৃহবধূর ৭ দিন ধরে কোনো খোঁজ মিলছে না। শ্বশুর এবং বাবার বাড়ি থেকে পৃথক সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে থানায়। এছাড়া দুই পক্ষ পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন।

নিখোঁজ গৃহবধূ হচ্ছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার পিংড়া বাজার সংলগ্ন গোবিন্দপুর গ্রামের মিজান প্রধানীয়ার স্ত্রী সুইটি আক্তার (২১)।

থানায় করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর স্বামীর বাড়ি থেকে আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কাউকে কিছু না বলে চলে যান সুইটি। তার বাবার বাড়িতে ফোন করে এই কথা বলে শশুড় বাড়ির লোকজন।

মেয়ের নিখোঁজের খবর শুনে তারা তাৎক্ষনিক সকল আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নেন। সন্ধান না পেয়ে পরের দিন ১ নভেম্বর সুইটির বড় বোন মতলব দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরি নং- ১৯।

এরপর থেকে শশুড় বাড়ির লোকজন সুইটির সন্ধান না করে তার বাবা-মা ও ভাই-বোনদের মোবাইলে বিভিন্ন লোক দিয়ে হুমকি-ধমকি দেন এবং বসে মিমাংসা করার জন্য বলেন। এছাড়াও তারা নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেন। এতে সুইটির পরিবারের লোকজনদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সুইটির স্বামীর বাড়ির লোকজনও দুই দিন পর মতলব দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এদিকে, সুইটির পরিবারের লোকজন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তাদের মেয়ে কোথায় আছে, কেমন আছে বা বেঁচে আছে কিনা জানেন না।

শশুড় বাড়ির লোকজনের বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তায় সন্দেহ সৃষ্টি হলে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে সুইটির বাবা ও বোন সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত বলেন। পুলিশ সুপার তাৎক্ষনিক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য ডিবি পুলিশের পরিদর্শককে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ফরিদগঞ্জ উপজেলার বেহেরিপুর গ্রামের মোঃ হুমায়ুন কবির খানের ছোট মেয়ে সুইটি আক্তারের সঙ্গে মতলব দক্ষিণ উপজেলার পিংড়া বাজার সংলগ্ন গোবিন্দপুর গ্রামের মিজান প্রধানীয়ার তিন বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।


নাবা/ডেস্ক/তারেক

রিলেটেড নিউজঃ