ক্ষুধার সূচক: ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

ক্ষুধার সূচক: ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
বৈশ্বিক ক্ষুধার সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। তবে নেপাল, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে আছে। বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আইএফপিআরআই) পরিচালিত গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

গতকাল ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক’ প্রকাশ করে সংস্থাটি। তাতে ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম। 

মানবিক সহায়তার জন্য কাজ করে এমন দুটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা জিএইচআই তালিকা প্রকাশ করেছে। 

দেশগুলোকে চারটি মাপকাঠিতে ১০০ পয়েন্টের ভিত্তিতে তালিকা প্রনয়ণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো-অপুষ্টি, ৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম ওজনের শিশু, ৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম উচ্চতার শিশু, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যু।

এই সূচকে ০ থেকে ১০০ পয়েন্টের মাপকাঠিতে দেশগুলোকে ফেলে যাচাই করা হয় কোন দেশটি কতটা ক্ষুধাপীড়িত। এই মাপকাঠিতে ০ হচ্ছে সবচেয়ে ভালো স্কোর, যার অর্থ সেই দেশটিতে ক্ষুধা নেই, আর ১০০ হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা। 

১০ এর কম স্কোর পাওয়ার অর্থ হলো সেই দেশে ক্ষুধা সমস্যা কম। ২০ থেকে ৩৪.৯ স্কোরের অর্থ তীব্র ক্ষুধা, ৩৫ থেকে ৪৯.৯ অর্থ ভীতিকর ক্ষুধা আর ৫০ বা তার বেশি স্কোর বলতে বোঝায় চরমভাবে ভীতিকর ক্ষুধায় পীড়িত দেশকে। 

এই মাপকাঠিতে ২৫.৮ স্কোর পেয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ‘তীব্র ক্ষুধাপীড়িত’ দেশের তালিকায়।

বাংলাদেশ ছাড়া দক্ষিণ এশীয় অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ভারত ১০২, পাকিস্তান ৯৪, নেপাল ৭৩, মিয়ানমার ৬৯ এবং শ্রীলঙ্কা ৬৬তম অবস্থানে রয়েছে। ২০১৮, ২০১৭ ও ২০১৬ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল যথাক্রমে ৮৬, ৮৮ ও ৯০ নম্বরে।

নাবা/ডেস্ক/কেএইচ/

রিলেটেড নিউজঃ