জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ফাইনালের মঞ্চে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ফাইনালের মঞ্চে বাংলাদেশ

ত্রি-দেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে হেসে খেলে জিতলো বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে জিম্বাবুয়ের ফাইনাল টিকিয়ে রাখার স্বপ্নকে চূর্ণ করে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের টানা তিন পরাজয়ে আসরের ফাইনাল নিশ্চিত হয় বাংলাদেশ-আফিগানিস্তানের।
চট্গ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের চতুর্থ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৩৯ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
দলে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিলো টিম টাইগার। সৌম্য, সাব্বির আর তাইজুলের পরিবর্তে দলভুক্ত হন শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিষিক্ত আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদুল্লাহ'র অর্ধশতকে ভর করে, ৭ উইকেটে ১৭৫ রান করে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক তুলে নিয়ে মাহমুদুল্লাহ করেন ৪১ বলে ৬২ রান। এছাড়াও, লিটন দাসের ২২ বলে ৩৮ ও মুশফিকের ২৬ বলে ৩২ রানে ভর করে বড় পুঁজি পায় স্বাগতিকরা। তবে এদিনও ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকেন সাকিব। মাত্র ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই টাইগার কাপ্তান। এছাড়াও নাজমুল হোসেন শান্ত ১১, আফিফ হোসেন ৭ ও মোসাদ্দেক হোসেন আউট হন ২ রানে। ৬ রানে সাইফউদ্দিন এবং শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন অভিষিক্ত বিপ্লব।
বল হাতেও এদিন জ্বলে ওঠেন টাইগাররা। প্রথম ওভারেই সাফল্য পান সাইফউদ্দিন। দলীয় রানের খাতায় কোন রান যোগ না হতেই সাজঘরে ফেরেন ব্রেন্ডন টেইলর। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলে, ৬৬ রানের মধ্যে ৭ ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরে। এতে ম্যাচ অনেকটাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বাংলাদেশ।
অষ্টম উইকেট জুটিতে মুতুম্বামি ও জার্ভিসের জুটিতে পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে থাকে টাইগাররা। এই জুটিতে ক্যারিয়ারে প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন মুতুম্বামি। ইনিংসের শেষ দু'টি বলে মুস্তাফিজ উইকেট তুলে নিলে ২০ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। মুতুম্বামি করেন ৫৪ রান। শফিউল ইসলাম ৩টি, মুস্তাফিজ ২টি এবং সাইফউদ্দিন ও সাকিব নেন একটি করে উইকেট। এছাড়াও অভিষেকেই জোড়া উইকেট পান বিপ্লব। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।  এদিন টি-টোয়েন্টিতে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে ৫০তম উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজ। দুই উইকেট নেয়ায় ম্যাচ শেষে মুস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা হয় ৫১টি।

নাবা/ডেস্ক/এমআর

রিলেটেড নিউজঃ

    মতামত দিন