আমানতের ওপর ঋণের পরিধি বেড়েছে

আমানতের ওপর ঋণের পরিধি বেড়েছে

আমানতের ওপর ঋণসীমা (এডিআর) বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত বছরের জানুয়ারিতে সীমা কমিয়ে জারি করা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে টানা চারবার সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়। কিন্তু তারপরও বাস্তবায়ন হয়নি। এখন প্রভাবশালীদের চাপে এডিআর বাড়িয়ে আগের অনুপাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

যে কারণে, ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে প্রচলিত ব্যাংকগুলো এতদিন ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা ঋণ বিতরণ করতে পারতো। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এখন ঋণ বিতরণ করতে পারবে ৮৫ টাকা। ইসলামী ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করতে পারবে ৯০ টাকা। এতদিন ইসলামী ব্যাংকগুলো ৮৯ টাকা ঋণ দিতে পারতো।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর দ্বি-সাপ্তাহিক গড় ভিত্তিতে রক্ষিতব্য সিআআর এবং দৈনিক ভিত্তিতে রক্ষিতব্য এসএলআর বাদে বিনিয়োগযোগ্য তহবিল দাঁড়ায় ৮১.৫০ শতাংশ এবং ইসলামি শরীয়াহ্ভিত্তিক ব্যাংক ও প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামি ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য তা দাঁড়ায় ৮৯ শতাংশ। তবে সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি, তারল্য পরিস্থিতি, আন্তঃব্যাংক নির্ভরশীলতা এবং সর্বোপরি ব্যাসেল-৩ অনুসারে এলসিআর ও এনএসএফআরের নির্ধারিত মাত্রা সংরক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত প্রচলিত ধারার ব্যাংকের জন্য অগ্রিম-আমানত হার (এডিআর) সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ (৮১.৫ শতাংশ + সার্বিক আর্থিক সূচকগুলো বিবেচনায় ব্যাংকের পর্ষদের সিদ্ধান্তক্রমে অতিরিক্ত ৩.৫ শতাংশ) এবং ইসলামি শরীয়াহ্ভিত্তিক ব্যাংক এবং প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামি ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য বিনিয়োগ-আমানত হার (আইডিআর) সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ (৮৯ শতাংশ + সার্বিক আর্থিক সূচকগুলো বিবেচনায় ব্যাংকের পর্ষদের সিদ্ধান্তক্রমে অতিরিক্ত ১ শতাংশ) নির্ধারণ করা হলো।

অর্থাৎ প্রচলিত ব্যাংকগুলো ৮৫ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলোর অনুমোদিত সীমা ৯০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।


নাবা/ডেস্ক/তারেক

রিলেটেড নিউজঃ

    মতামত দিন