রাজাপুরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব

রাজাপুরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট ক্লিনিকে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ৯ জন ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের মধ্যে চারজন নারী ও পাঁচজন পুরুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার পর্যন্ত উপজেলার দুটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডেঙ্গু পরীক্ষা করে ১৫ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে আটজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও প্রাইভেট ক্লিনিকে ১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে সেবা নিচ্ছেন। 

এদিকে উপজেলায় ডেঙ্গু পরীক্ষার প্রয়োজনীয় রি-এজেন্টের সংকট হওয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ডেঙ্গু পরীক্ষার (এনএস-১) কিট, (আইজিজি ও আইজিএম) কিট এবং সিবিসির রি-এজেন্টের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। তবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে নেই কোনো আয়োজন। বিদ্যমান পরিস্থিতি আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা উপজেলাবাসীর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধী ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ৪ জন ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছে। আর বাকি ৫ জনই বাড়িতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত রোগীরা হলেন- মসিউর, ফাতেমা বেগম, এনামুল, আশিক, সোলায়মান, নাঈম, লাইলি বেগম, হোসেন খান ও মুকুল বেগম।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮জনকে অভজার্ভে রেখেছি। আমাদের সাধ্য মত রোগীদের সেবা করছি। তবে এডিস মশা নিধনের জন্য উপজেলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এডিস মশার প্রজনন স্থানগুলো ধ্বংসে সফলতা পাওয়া না গেলে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব আরো বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মোঃ ইমরান শাহারিয়ার জানান, আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ঝোপঝার, পানি নিস্কাশন পরিস্কারসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। তবে স্প্রে করার জন্য ওষুধ না পাওয়ায় সমস্যা কাটেনি।


নাবা/ডেস্ক/তারেক

    মতামত দিন