রূপপুরে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে গণপূর্তের তদন্তে

  • প্রকাশিতঃ 2019-07-16 08:57:59
রূপপুরে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে গণপূর্তের তদন্তে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিন সিটি আবাসিক প্রকল্পের জন্য আসবাবপত্র ক্রয় এবং ভবনে তোলা নিয়ে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করেছে কমিটি।

উচ্চ আদালতের নির্দেশে মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এসেছে। আদালতে জমা দেওয়ার আগে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না -বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আসবাবপত্র ক্রয় এবং ভবনে তোলার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক মূল্য ধরা হয়েছে। প্রকৃত মূল্য থেকে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেখানো হয়েছে। এ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ আলমসহ অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে অতিরিক্ত টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ওই প্রকল্পের কেনাকাটার অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত উঠে আসে গণমাধ্যমে। এরপর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট করেন। প্রকল্পের কেনাকাটায় অনিয়ম হয়েছে কি না -এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে দুই সপ্তাহ সময় বেঁধে দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করেন আদালত। রুলে সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চাওয়া হয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী, রাজশাহীর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

নাবা/ডেস্ক/তারেক

    মতামত দিন