হাজীগঞ্জে নৌকা মার্কার পক্ষে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মীদের গনসংযোগ

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট। নাগরিক বার্তা.কম
হাজীগঞ্জ: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ‘নৌকা’ প্রতিকে ভোট চাইলেন হাজীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মীর। উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস একতা পরিষদের উদ্যোগে রবিবার দিনব্যাপী হাজীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় ‘নৌকা’ মার্কার সমর্থনে মিছিল ও গণসংযোগ করেন তারা। এ সময় ‘নৌকা’ মার্কায় ভোট চেয়ে ‘আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য’ এর একটি প্রতিবেদন লিপলেট বিতরণ করেন তারা।

রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস একতা পরিষদের পৌরসভাধীন বলাখাল শাখার সভাপতি শাকিল হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ তালুকদারের নেতৃত্বে মিছিল ও গণসংযোগ করা হয়। মিছিল ও গণসংযোগের উদ্বোধন করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সমীর লাল দত্ত।

এরপর উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস একতা পরিষদের উপদেষ্টা সদস্য মো. মহিউদ্দিন আল আজাদ, মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্, মিরাজুল ইসলাম সরোয়ার, সভাপতি শাহআলম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসাইনের নেতৃতে উপজেলা চত্ত্বর থেকে মিছিল ও গণসংযোগ করা হয়।

পৌরসভাধীন ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে মিছিল ও গণসংযোগ শেষে হাজীগঞ্জ বাজারসহ পৌরসভাধীন অন্যান্য এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়। এ সময় ন্যাশনাল সার্ভিস একতা পরিষদের বিভাগীয় সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মামুন, কোষাধ্যক্ষ শাহপরান চৌধুরী, পৌরসভাধীন বলাখাল শাখার সহ-সভাপতি শান্ত চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এম.এ হান্নান চৌধুরী, সদস্য সোহাগ বর্ধন, হাসান আলী, সোহরাব, জাকির, শাহজালাল, আক্তারহোসেন ন্যাশলাল সার্ভিসে কর্মরত সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ, ২০১৭ সালে উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর কার্যক্রম শুরু হয়। এই প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ৬১০জন বেকার যুবতি-যুবতির কর্মসংস্থান হয়েছে।

ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি হল বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি বেকারত্ব দূরিকরণ প্রকল্প। এ কর্মসূচিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর আওতায় বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের চরিত্র গঠন ও স্বল্পমেয়াদি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্বাবলম্বীকরণ দ্বারা বেকারত্ব দূরীকরণ ও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন। এ প্রকল্পের শ্লোগান হল আত্মকর্মী যুবশক্তি, টেকসই উন্নয়নের মূলভিত্তি।

ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি প্রকল্পটি ২০১০ সালের ৬ মার্চ প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে কুড়িগ্রাম জেলার চালু করা হয়েছিল। এর পূর্বে ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল এবং ৫ই মার্চ ২০১০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছিল।
এমএমএ/