হাজীগঞ্জে তৃণমূলে জনপ্রিতায় এগিয়ে গাজী মাইনুদ্দীন

হাজীগঞ্জ: তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ছাত্রলীগ শেষ করে দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশী সময় ধরে দায়িত্বে ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে। তার নামের অনেক বিশেষণ জড়িত। আওয়ামী লীগে তৃণমূল বলতে গাজীর জন্য অন্ধ। তিনি গাজী ভাই হিসেবেই পরিচিত। দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে তিনি হাজীগঞ্জ উপজলো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আছেন। নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক পদে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম’র আস্থার প্রতীকও বলা হয় তাকে।

তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাইনুদ্দীন। যিনি তৃণমূলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। তিনি সরাসরি তৃণমূলের নির্বাচনে ২বার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি একবার হাজীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনও করেছিলেন। সে সময় দলীয় কোন্দলের কারণে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও দীর্ঘ দিন হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র পাওয়ার জন্য চেষ্টা/ লবিং করে আসছে তৃণমূলের এ প্রিয় মূখ।

গাজী মাইনুদ্দীনের মনোনয়নের বিষয়ে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভঅপতি ও উপজেলা ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হাদি মিয়া বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাইনুদ্দীন তৃণমূলের প্রিয় নেতা। তৃণমূলের সকলের সাথে তার যোগাযোগ রয়েছে। তিনি ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি এ পদের জন্য যোগ্য বলে আমি মনে করি। আর এটা আমার কথা নয়, এটা তৃণমূল নেতাদের কথা।

৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, গাজী মাইনুদ্দীন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়মূখ। তিনি দলের সকল নেতা-কর্মীর বিপদে-আপদে পাশে এসে দাঁড়ান। তার পরিশ্রমের মূল্য দেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।

গাজী মো. মাইনুদ্দীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, বীর মুক্তিযুদ্ধা মো. আবু তাহের বলেন, গাজী মাইনুদ্দীনের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাণি¦ত হয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধকে পুঁজি করে একটি পক্ষ, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক বীরমুক্তিযুদ্ধা অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন রতন বলে, গাজী মাইনুদ্দীনের কাছ থেকে আমাদের কিছু মুক্তিযুদ্ধা অবৈধ স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা বাবা গিয়াস উদ্দিন কখনো রাজাকার ছিলেন না। এটা তার বিরুদ্ধে একটি স্বার্থন্বেষী মহলের অপপ্রচার মাত্র।

তিনি বলেন, যুদ্ধকালিন সময়ে আমি ডাকাতিয়া নদীর দক্ষিণ পাড়ে অবস্থান করছিলাম। প্রতিদিনই তারা বাবার সাথে আমাদের যোগাযোগ ছিল।

তৃণমূলের জনপ্রিয় মূখ এ নেতার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার বন্ধ নেই একটি মহলের। যারা জনপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে শেষ পর্যন্ত তারা কি অপপ্রচারেই লিপ্ত থাকবে, নাকি জনপ্রিয় এ নেতার পাশে এসে দাঁড়াবেন তাই এখন দেখার বিষয়।
এমএমএ/