শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতেই বাঁধন পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করেছি

মতলব উত্তর: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দেওয়ানজী কান্দি গ্রামকে কেন্দ্র করে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাঁধন পাঠাগারটি। সেই সময়ে কর্মরত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মান্নান ইলিয়াছ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুল ইসলাম মনির ও ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র আমেনা বেগম পাঠাগারটি উদ্বোধন করেন। প্রামের তরুণ ও যুবকদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই আলোর বাতিঘরটি। পাঠাগারটির মাধ্যমে প্রতি বছর বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত করা হয়ে থাকে। বিশেষ করে এই পাঠাগারের উদ্যোগে এলাকার শিশুদের পড়াশোনার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় বাঁধন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ গোলাম রসূল ঢালীর সাথে। তিনি বলেন, এই পাঠাগারটি আমরা আমাদের গ্রামের তরুণ ও যুবকদের নিয়ে ২০০৫ সালে সকলের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা করেছি। তখন থেকেই আমাদের পাঠাগার এর কার্যক্রম সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করে আসছি। বর্তমানে এই পাঠাগারের উদ্যোগে প্রতি বছর একটি বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল হয়ে থাকে। এছাড়াও এ সংগঠনের নিজস্ব অর্থায়নে মানব সেবা, সমাজ সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আর্তমানবতার সেবা, সামাজিক সংস্কার, মানবাধিকার রক্ষা, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষা, ক্রিয়াসহ ব্যাপক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন গোলাম রসূল।

তিনি বলেন, বিশেষ করে এই পাঠাগারের মাধ্যমে আমরা গরীব মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করে থাকি। অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়। তিনি বলেন, মূলত শিক্ষার আলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই প্রতিষ্ঠা করা হয় পাঠাগারটি। আমরা কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

এমএমএ/