শারিরীক পরিবর্তনে রোজার অবদান

সুবেহ সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যডোবার আগ পর্যন্ত সকল পানাহার থেকে বিরত থাকাই হলো সিয়াম পালন। রোজার বিভিন্ন উপকারের কথা ইসলাম ধর্মে বর্ণনা করা হয়েছে। রোযা রাখলে শারিরীক নানা পরিবর্তন আসে। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন রোজা থাকার বিভিন্ন উপকারের কথা।

রোজা রাখেলে প্রথম দুই চারদিন বেশ কষ্ট হলেও পরবর্তিতে আনন্দ চলে আসে। মন হয় প্রফুল্ল। শরীর যখন এই চর্বি খরচ করতে শুরু করে, তা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। তবে যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, সেই কারণে হয়ত কিছুটা দুর্বল এবং ঝিমুনির ভাব আসতে পারে। এছাড়া কারও কারও ক্ষেত্রে মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা নিশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে।

প্রথম কয়েকদিনের পর আপনার শরীর যখন রোজায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন শরীরে চর্বি গলে গিয়ে তা রক্তের শর্করায় পরিণত হচ্ছে। কিন্তু রোজার সময় দিনের বেলায় যেহেতু আপনি কিছুই খেতে বা পান করতে পারছেন না, তাই রোজা ভাঙার পর অবশ্যই আপনাকে সেটার ঘাটতি পূরণের জন্য  যথেষ্ট পানি খেতে হবে। বিশেষ করে এই গরমের দিনে। আর যথেষ্ট শক্তিদায়ক খাবার, যেমন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা এবং চর্বি খেতে হবে। একটা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ধরণের পুষ্টি, প্রোটিন, লবণ এবং জল থাকবে।

রমজান মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনার শরীর পুরোপুরি রোজার সঙ্গে মানিয়ে নেবে। শরীরের পাচনতন্ত্র, লিভার, কিডনি এবং ত্বক এখন এক ধরনের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে শরীর যেন শুদ্ধ হয়ে উঠবে।

নাবা/ডেস্ক/ওমর