যোগ্যতাই তাঁকে শীর্ষে নিয়েগেছে

ডাঃ দীপু মনি। ছবি:সংগ্রহীত।

ডাঃ দীপু মনি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসন থেকে দুইবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য। আমার জানামতে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কোন বদনাম কিংবা দূর্নীতি নেই। তিনি সকলের কাছে একজন জনপ্রিয় ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিত। রাজনীতি ছাড়াও তিনি একজন চিকিৎসক এবং একজন আইনজীবী। বহু গুনের অধিকারী এ মানুষটিকে শুধুমাত্র চাঁদপুরের মানুষ নয়, সারা বিশ্বের মানুষ চিনেন। তাঁর দেশপ্রেম, কর্মদক্ষতা, কাজের প্রতি আন্তরিকতা, মানুষের প্রতি ভালবাসা সর্বপরি মানবসেবাই তাঁকে আজ শীর্ষ একটি স্থানে নিয়েগেছে।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুবই আস্থাভাজন। যে কারণে তিনি তাঁকে আবারও চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চাঁদপুর সদর আসনে নৌকা মার্কার পাশাপাশি অন্যান্য মার্কাও প্রার্থী রয়েছেন। তারাও এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। কিন্তু তাদের বিগত দিনের কর্মকান্ডও আপনারা জানেন। অপরদিকে আমাদের সকলের প্রিয় ডাঃ দীপু মনি গত ১০ বছরে কি ধরনের উন্নয়ন করেছেন তাও আপনাদের সামনে স্পষ্ট।

আমার বক্তব্য হচ্ছে, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আপনাদের ভোটের অধিকার রয়েছে। কিন্তু ভোট কোন মার্কায় দিবেন, কোন ধরনের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তিকে দিবেন তা কিন্তু ভাবার বিষয় রয়েছে। আপনার ভোটে নির্বাচিত ব্যাক্তিই আপনার এলাকার মানুষের উন্নয়ন নিয়ে মহান জাতীয় সংসদে কথা বলবেন। তাই আপনার চিন্তা ও বিবেকের সঠিক রায়টা দিতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে।

ডাঃ দীপু মনি এমপি হিসেবে গত ১০ বছরে আপনাদের কাছে যা ওয়াদা করেছেন, তার অনেকখানিই রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন বলেই আমি জানি। তিনি চাঁদপুর ও হাইমচরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী মেঘনা নদীর ভাঙন রোধ করা। এটি আগের এমপিরা না করলেও তিনি তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯ কিলোমিটার বাঁধ দিয়ে নদী ভাঙার কবল থেকে দুই উপজেলার মানুষকে রক্ষা করেছেন। চাঁদপুরে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ হয়েছে। গ্রামীন সড়কগুলো পাকা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নতুন নতুন ভবন হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু হয়েছে এবং মানুষ খুব সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারছেন। ঘরে ঘরে মানুষ বিদ্যুৎ পেয়েছে। চাঁদপুরে মেডিকেল কলেজ হয়েছে। মেরিন একাডেমী, আঞ্চলিক পাসপাপোর্ট অফিস হয়েছে। অসংখ্য উন্নয়ন কাজ হয়েছে তার আন্তরিক প্রচেষ্টায়। আপনারাই তাকে নির্বাচিত করে সংসদ সদস্য বানিয়েছেন। আর সে জন্যই তিনি এসব কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।

আমি সকল বয়সের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এতগুনের অধিকারী মানুষটি যখন শুধুমাত্র আপনাদের উন্নয়নেই কাজ করেছেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আপনাদের একটি ভোটের হকদার। আমি আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র সমর্থক হিসেবে আপনাদেরকে আহবান করছি, আগামী ৩০ ডিসেম্বর চাঁদপুরের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কথা চিন্তা করে অবশ্যই নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

লেখক

লিখেছেন: কামরুজ্জামান সোহেল
আওয়ামী লীগ সমর্থক, চাঁদপুর।