মিয়ানমারে তহুরাদের গোলোৎসব

ছবি: সংগ্রহিত

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০১৩ থেকে ২০১৯ এই ছয় বছরে বাংলাদেশের মহিলা ফুটবল যে আমূল পাল্টে গেছে তা মিয়ানমারের মান্দালার স্টেডিয়ামে জানা হলো ফিলিপাইনের মেয়েদের। সর্বশেষ ২০১৩ সালেই তারা বাংলাদেশে এসেছিল। এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইয়ের সে আসরে স্বাগতিকদের ৪-০ গোলে হারিয়েছিল তারা।

তখন বাংলাদেশের মেয়েরা মাত্র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিত হতে শুরু করেছে। ২০১৪ সালে নেপালে এএফসি রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা দিয়ে সেই যে নতুন দিনের শুরু হলো।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রথম আবার ফিলিপাইনদের মুখোমুখি তারা। এর মাঝে দুটি আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় দুটি সাফ জয় আর এই এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেই মূলপর্বে খেলার কীর্তি গড়ে ফেলেছে কিশোরীরা। এই দিনে মিয়ানমারে এবারের এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের (অনূর্ধ্ব-১৬) বাছাইয়ে সেই বাংলাদেশেরই দেখা পেল ফিলিপাইন। ১০-০ গোলের হারে তাদের সেই দেখাটাও হলো মর্মান্তিক। আর তহুরারা আসরের প্রথম ম্যাচেই এমন অসাধারণ জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের মূলপর্বে খেলার পথে এগিয়ে গেল আরেক ধাপ।

প্রথমার্ধেই স্কোরলাইন ৬-০ করে ফেলে ম্যাচের গন্তব্য জানিয়ে দিয়েছিল গোলাম রব্বানীর দল। দ্বিতীয়ার্ধে সেটিকেই ১০-০ বানিয়ে তৃপ্তি নিয়ে হোটেলে ফেরা মেয়েদের। তহুরা খাতুন একাই ৪ গোল করেছে এ ম্যাচে। প্রথমার্ধের ৬ গোলের ৪টিই তার। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিট থেকেই তার গোলোৎসবের শুরু। ১৭তম মিনিটে দ্বিতীয়টি। পরমুহূর্তেই শামসুন্নাহারের গোলে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলে বাংলাদেশ। পরের দুটি গোল আবার তহুরার। বিরতির বাঁশির আগে পেনাল্টি থেকে শামসুন্নাহার জুনিয়র করে ষষ্ঠ গোলটি।

ফিলিপাইনের দুর্দশার শুরু আবার দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই। ৪৬ মিনিটেই আত্মঘাতী গোল উপহার দেয় তারা। এরপর আনুচিং মোগিনির জোড়া গোল ৫৮ ও ৮৬ মিনিটে। মাঝখানে দূরপাল্লার এক শটে স্কোরশিটে নাম তোলে মারিয়া মান্দাও। তার নেতৃত্বেই গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় বাছাইয়ের প্রথম রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় রাউন্ডে ফিলিপাইন ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মিয়ানমার ও চীন।

নাবা/শাপ