মিস ইরাকের নাগরিকত্ব থাকছে না

নিজ দেশের নাগরিকত্ব হারাতে যাচ্ছেন ২০১৭ সালে মিস ইরাক খেতাব বিজয়ী সারা ইদান। শত্রু রাষ্ট্র ইসরাইলকে সমর্থন, মুসলিম দেশগুলোর ‘ইহুদী বিদ্বেষ’ নীতি ও ইরাকের মানবাধিকার পরিস্থিতির সমালোচনার কারণে নিজ দেশটি তাকে বিতাড়িত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চলতি বছরের ২৫ ও ২৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ইউএনএইচসিআর এর ৪১তম অধিবেশনে নিজ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করেন সে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনীর সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেন।

সম্মেলনে মিস ইরাক বলেছিলেন, আরব-ইসরাইল শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধান বাধা ‘ইহুদী বিদ্বেষ’ নীতি। মুসলিম দেশগুলোতে ‘ইহুদী বিদ্বেষ’ শিক্ষা দেওয়া হয়। তবে আরব দেশগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের পরিবর্তে ইসরাইলের সঙ্গে আলোচনায় বেশি আগ্রহী।

জাতিসংঘে নিজ দেশের সমালোচনা করে বক্তব্য দেওয়ার পরে ইরাকের সামাজিক মাধ্যমে তার নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের দাবি ওঠে।

এদিকে নাগরিকত্ব রক্ষায় টুইটারের মাধ্যমে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মিস ইরাক। নাগরিকত্ব রক্ষায় তিনি বিভিন্ন সংগঠনের কাছে সহযোগিতাও চেয়েছেন।

নাবা/ডেস্ক/তারেক