মমতার রাজ্যে মোদির কর্মীদের তাণ্ডব

ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণার পরদিনই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে সহিংসতা। বিভিন্ন এলাকায় হামলা-পাল্টা হামলা ও বাড়িতে ঢুকে নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ মে) তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপুরের লাউদোহা এলাকার পাটশাওড়া গ্রামে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা। রাতে বাড়িতে ঢুকে রড দিয়ে মারধরের পাশাপাশি নারীদের শ্লীলতাহানি করে।

সূত্র জানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসিত এ রাজ্যে বিজেপির ব্যাপক উত্থান ঘটেছে এবারের নির্বাচনে। গত নির্বাচনে এই রাজ্যে মাত্র দুটি আসন পায় মোদির দল। কিন্তু এবার ১৮টি আসন বাগিয়ে নিয়েছে বিজেপি। দলের এমন বিশাল জয়ের পর বিজেপি নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বেসামাল হয়ে উঠছে।

শুক্রবার (২৪ মে) সকালে পাটশাওড়া গ্রামে তৃণমূল কর্মী প্রতিমা বাগদির বাড়িতে রড, শাবল ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বিজেপি নেতাকর্মীরা। বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রতিমার পরিবারের সদস্যদের মারধরও করে। নারীদের শ্লীলতাহানী করারও অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় দুর্গাপুর ফরিদপুর থানায় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা অভিযোগ দিয়েছে। তবে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বলছে, বিজেপির নেতা-কর্মীরা এ ঘটনা জানে না। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার শালতোড়া এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে বিজেপির এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে তৃণমূল নেতার বাড়ি।

বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ- স্থানীয় তৃণমূল নেতা কালীপদ রায়ের নির্দেশে পুলিশের সামনেই গুলি চালায় তারা। ঘটনার পর কালিপদ রায়কে গ্রেফতার ও শালতোড়া থানার ওসির বদলির দাবিতে থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মীরা।

নাবা/২৪মে/তারেক