মডেল সড়ক হবে আসাদ এভিনিউ

রাজধানীর আসাদগেট থেকে বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত মডেল সড়ক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

মডেল সড়ক হিসেবে এ রাস্তায় থাকবে আলাদা রিকশা লেন, হকার মুক্ত ফুটপাথ, বন্ধ হবে রাস্তায় গাড়ি পার্কিং এবং যাত্রীদের ওঠা নামার জন্য নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ। এছাড়াও এই রাস্তাটির সংযোগ সড়ক গুলোতে গাড়ি প্রবেশের পথ হবে সু-পরিকল্পিত, ফলে যানজট মুক্ত রাস্তা হিসেবে জন সাধরণের চলাচলের সুবিধা হবে। এই পরিকল্পনা মাথায় নিয়ে মডেল সড়ক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ হাতে নিতে যাচ্ছে ডিএনসিসি।

নাগরিক বার্তার সঙ্গে একান্ত আলাপকালে মডেল সড়কের বিষয়ে কথা বলেছেন, ডিএনসিসির প্যানেল মেয়র ডেইজি সারওয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর উদ্যোগ নিয়েছি আসাদ এভিনিউ থেকে বেড়িবাঁধ তিন রাস্তা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটারের এই রাস্তাটিকে মডেল সড়ক হিসেবে গড়ে তোলার। এখানে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় রাস্তায় প্রচুর গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়। ফলে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জ্যাম লেগে থাকে। সাধারণ মানুষের কষ্ট হয়। তাই আমি এটিকে যানজট মুক্ত এবং আধুনিক রাস্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয় স্থানীয় (৩০,৩১,৩২) ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের অসহযোগীতা এবং ডিএনসিসির দায়িত্বরত কয়েকজন কর্মকর্তা বদলি হয়ে যাওয়ার কারণে কাজটি পিছিয়ে যাচ্ছে। তবুও আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করছি কোরবানীর ঈদের পর কাজ শুরু করতে পারবো।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেনে তিনটি নারী সংরক্ষিত আসনের এই কাউন্সিলর আরও বলেন, মডেল সড়ক হিসেবে আমাদের পরিকল্পনায় আছে আসাদ গেট এভিনিউ যার নামে নাম করণ করা হয়েছে সেই শহিদ আসাদের সম্মানে একটি স্মৃতি ফলক করা। রাস্তার দু’পাশ হকার মুক্ত করা এবং রাস্তায় রিকশার জন্য আলাদা লেন করা। নির্দিষ্ট যাত্রী ছাউনি করা এবং মোহাম্মদপুর বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ডকে আধুনিক রূপ দেওয়া। এছাড়া র্দীঘদিন ধরে একটি মহল অবৈধভাবে বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডের জমি দখল করে রেখেছে। আমরা সেই জমি উদ্ধার করে নতুন করে সাজাতে চাই। তবে যাদের সহযোগীতা করার কথা কোনও এক অদৃশ্য ইশারায় তারা কেউই এগিয়ে আসছে না।

তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির চীফ ইঞ্জিনিয়ারসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বদলির কারণে কাজটি থমকে আছে। তবুও আমি নতুন করে কাজ শুরু করবো। নতুন বাজেট থেকে এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্ধের বিষয়টি নিয়ে আমি মেয়রের সঙ্গে আলাপ করেছি তিনি সম্মতি জানিয়েছেন। এবার সিটি করপোরেশন ট্রাফিক ট্যাকনিক্যাল বিভাগ এবং কয়েকটি সার্ভে করার কাজ বাকি। এটা হয়ে গেলেই আমরা প্রকল্পের কাজ শুরু করবো। পাশাপাশি মোহাম্মদপুরের বাস স্ট্যান্ডএলাকায় একটি গোলচত্বর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান এ প্যানেল মেয়র।

নাবা/ডেস্ক/রাজু