বিদ্যা দেবীর আরাধনা….

পলাশ ফুলের সুবাশ আর বসন্তের হাওয়ায় দেবী সরস্বতীর আগমন ঘটে ভক্তকূলে। মন্ডপ গুলো ধ্বনিত হয়, “নমো সরস্বতী মহাভাগে,বিদ্যে কমলোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।” ধূপ,ধুনো, ফুল, ফল আর দ্বীপের আলোয় মন্ডপ গুলো হয় সুসজ্জিত।

পূজোর দিন শিক্ষার্থীরা দেবী চরণে পুস্পাঞ্জলি অর্পণ করে। মাঘ মাসের বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা দেবীর আরোধনার আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে বিদ্যা এবং সংগীতের দেবী হিসাবে সরস্বতীকে পূজা করে থাকেন সনাতন ধর্মালম্বীরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা এ পূজার আয়োজন করে থাকেন।

এ দিন ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারের শিশুদের হাতেখড়ি ও দেয়া হয়। পূজার দিন পূজা মন্ডপগুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ও আয়োজন করা হয়। সনাতন ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন যে দেবী সরস্বতী বিদ্যার দেবী।

পুরাণ বাজার ডিগ্রী কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বাঁধন ঘোষ বলেন, আমরা প্রতি বছর এ দিনটির অপেক্ষায় থাকি। সরস্বতী আমাদের বিদ্যার দেবী। আমরা বিশ্বাস করি মায়ের আরাধনায় আমাদের মধ্যে বিদ্যার স্ফুলিঙ্গ প্রস্ফুটিত হবে। ওয়াই ডব্রিউ সি স্কুলের শিক্ষিকা ঝর্ণা মিত্র বলেন, এ ডিজিটাল যুগেও আমি প্রতিটা বছর পূজার অপেক্ষায় থাকি। আমি বিশ্বাস করি যে জ্ঞানের একমাত্র ভান্ডার হচ্ছেন মা সরস্বতী।

এমএমএ/