বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের

নাগরিক বার্তা ডেস্ক:  বাংলাদেশে সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী মন্ত্রী থমাস এল. ভাজদা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে জ্বালানি খাত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়া এলএনজি, সাইবার সিকিউরিটি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং পরিবেশ রক্ষায়ও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্রও বের করতে হবে। সার্বিকভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

বৈঠক শেষে নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুত্ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের আরও বেশি বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি দল। শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থাশীল হওয়ায় খুব শিগগিরই তাদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কীভাবে কাজ করতে পারে সে ব্যাপারেও নানা উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। চীন বা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো এ বিনিয়োগে যতটা আগ্রহ দেখাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ততটা দেখা যাচ্ছে না। আমরা আরও বড় আকারে এসব খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ দেখতে চাই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব কীভাবে বাড়ানো যায় তার সম্ভাব্য দিকগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে চাই। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও তথ্য-প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন।

এমএমএ/