বই মেলায় ফাগুনী সাজ

ছবি: সংগ্রহীত।

নাগরিক বার্তা ডেস্ক:  প্রকৃতিতে ফাগুন আসতে আরও তিন দিন বাকি। কিন্তু বইমেলায় ফাগুন এসে গেছে আগেভাগে।  রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মেলায় আসা তরুণীদের অনেকে সেজেছেন বাসন্তী রঙে। পরনে বাসন্তী রঙের শাড়ি কিংবা কামিজ। মাথায় হলুদ ফুলের মুকুট। হাতের কব্জিতেও ফুলের বন্ধনী। তরুণদের কেউ কেউ হলুদ রঙের পাঞ্জাবিতে সাজিয়েছেন নিজেকে।

এভাবেই পুরো মেলায় ছিল ফাগুনের আবাহন। এর সঙ্গে আজ যোগ ছিল সরস্বতী পূজা উদযাপনের আবহ। নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীরা মন্ডপ ঘুরে পূজার সাজেই চলে এসেছে বইমেলায়। ফলে বইমেলায় বিপুল মানুষের আগমন ঘটে আজ।

বইমেলার দশম দিনে আজ নতুন বই এসেছে ৯০টি। এদিন বেলা তিনটায় মেলা শুরু হয়ে রাত নয়টা পর্যন্ত চলে। প্রতিদিনের মতো মেলার মূল মঞ্চ আর লেখক বলছি মঞ্চ ছিল নানা আনুষ্ঠানিকতায় জমজমাট।

বিকাল চারটায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে কথাশিল্পী সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় ‘কথাশিল্পী অমিয়ভূষণ মজুমদার: জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মহীবুল আজিজ। আলোচনায় অংশ নেন হোসেনউদ্দীন হোসেন, মাহবুব সাদিক ও হরিশংকর জলদাস। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সেলিনা হোসেন।

এই মঞ্চে সন্ধ্যায় ছিল কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, কবিতা-আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন প্রকাশিত গ্রন্থ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন কবি অসীম সাহা, রেজাউদ্দীন স্টালিন, মীম নোশিন নাওয়াল খান, মাজহার সরকার এবং পারভেজ হোসেন।

এখানে কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন মুহম্মদ নূরুল হুদা ও সঞ্জীব পুরোহিত। আবৃত্তি পরিবেশন করেন মীর মাসরুর জামান রনি ও লাবণ্য শিল্পী। সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আলম দেওয়ান, রণজিত দাস বাউল, মমতা দাসী বাউল, লতিফ শাহ এবং মো. আনোয়ার হোসেন।

এমএমএ/