প্রধানমন্ত্রীকে ডাকসুর আজীবন সদস্যপদ দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্যপদ দেয়ার সিদ্ধান্ত পাশ হয়। তবে এ বছর নির্বাচনের আগে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে আজীবন সদস্য পদের বিষয়টিই মুছে ফেলা হয়। কেন এমনটি করা হয়েছে তার সদুত্তর নেই ভিসির কাছে।

জিএস বলছেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আর ভিপির মতে, এভাবে প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করা ঠিক হয়নি।

১৯৮৯ এ যে গঠনতন্ত্র ছিল তার চার এর ই উপধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আজীবন সদস্যপদ দেয়া যেত। এবছরের সংশোধিত গঠনতন্ত্রে তা বাদ দেয়া হয়।

৬ টি উপধারা বাদ দিয়ে রাখা হয় একটি মাত্র ধারা। যাতে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীরাই সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্য দেয়া হবে কিভাবে?

এ নিয়ে ডাকসুর সভাপতি (ভিসি) সদুত্তর দিতে না পারেন নি। তবে নিজের সাফাই গেয়ে ভিপি বলেন, উপাচার্য যেহেতু সর্বময় ক্ষমতার অধিকারি, তাই সবকিছুই সম্ভব।

একটা সময় ডাকসুকে বলা হতো দ্বিতীয় সংসদ। এখানকার ছাত্র নেতাদের হাত ধরেই লেখা হয়েছে অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। পাল্টেছে জনগণের ভাগ্য। নব্বইয়ের পরে সেই নেতৃত্বের আঁতুর ঘরে বাতি নিভে।

প্রায় তিন দশক পরে ভাঙে সেই অচলায়তন। আসে কাঙ্খিত নির্বাচন।

এর আগে ডাকসুর প্রথম বৈঠকেই শিক্ষার্থীদের অধিকার পুনঃরুজ্জীবিত করায় প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্যপদ দেয়ার সিদ্ধান্ত ২৩/২ ভোটে জয়ী হয়।
নাবা/সেন্ট্রাল ডেস্ক/কেএইচ/