জনগণের অভিন্ন মাতৃভাষার সুত্রেই গড়ে ওঠে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠী

মাতৃভাষা কি এবং কাকে বলে? এ প্রশ্ন আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের করে থাকি। উত্তরে সবাই বলে: ‘মায়ের মুখের ভাষাই হচ্ছে মাতৃভাষা।’ শুধু শিক্ষার্থী কেন, এ রকম উত্তরের সত্যতা সম্পর্কে আজো কাউকে সন্দেহ প্রকাশ করতে দেখিনি। যারা ভাবুক প্রকৃতির মানুষ, তারা বেশ কবিত্ব করে মাতৃভাষার উপমা খোঁজেন। মাতৃদুগ্ধের মধ্যে মায়ের বুকের দুধ খেয়ে যেমন শিশু বড়ো হয়, তেমনি মায়ের মুখের ভাষা শুনেই কথা বলতে শেখে- তাই এ ভাষার নাম দেওয়া হয়েছে মাতৃভাষা। মায়ের থেকে মাতৃভাষাকে কিছুতেই আলাদা করা যায় না।

হ্যাঁ, মা এবং মাতৃভাষা- এই দুটো শব্দের অন্তর্নিহিত ঐক্যকে আমি অস্বীকার করি না। এমনকি মা আর মাতৃভাষার মর্যাদা অভিন্ন বলেই আমি মনে করি। কিন্তু গর্ভধারিণী মায়ের মুখের ভাষাই যে মাতৃভাষা- একথা মেনে নিতে আমার ভীষণ আপত্তি।

এ আপত্তির কারণটা একটু বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা দরকার। প্রথমে উদাহরণ আহরণ করি একটি কাল্পনিক কাহিনী থেকে। কাহিনীটি রবীন্দ্রনাথ রচিত। তার ‘গোরা’ উপন্যাসের। এক আইরিস সৈনিক কোনো এক বিপর্যয়ে পড়ে সস্ত্রীক জনৈক বাঙালি ব্রাহ্মণের ঘরে আশ্রয় নেন, এবং সেখানেই এই সৈনিকের স্ত্রী একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। সন্তান প্রসবের প্রায় অব্যবহিত পরেই মহিলা মারা যান এবং মারা যান তার সৈনিক স্বামীও। এরপর তাদের এই পুত্রটি সেই ব্রাহ্মণ পরিবারেই বড়ো হতে থাকে, এবং যিনি তাকে লালন-পালন করেছিলেন সেই ব্রাহ্মণ মহিলা আনন্দময়ী তার নাম দেন ‘গোরা’। গোরা তার নিজের প্রকৃত মাতৃপিতৃ পরিচয় জানত না। সে বাঙালি হিন্দুর ঘরে হিন্দুর মতোই মানুষ হয়ে ওঠে। হিন্দুত্বের মর্যাদা রক্ষার জন্য সে তার সমস্ত মনপ্রাণ উৎসর্গ করে দেয়। কিন্তু উপন্যাসের কাহিনীর শেষে যখন তার প্রকৃত পরিচয়টি তার কাছে উদঘাটিত হয়ে পড়ে তখন তার চিন্তাভাবনা তথা সমস্ত জীবনদর্শন ওলটপালট হয়ে যায়। গোরার ওই পরিণতির ব্যাপারটি, কিংবা তার জীবনভাবনার বিষয়ও, বর্তমান- প্রসঙ্গে আমাদের বিবেচ্য নয়। আমরা শুধু তার ভাষার ব্যাপারে দৃষ্টি নিবব্ধ করে রাখতে চাই।

গোরার মায়ের ভাষা ছিল আইরিশ, কিন্তু গোরা আইরিশ ভাষার এক বর্ণও জানতে পারেনি, বাংলা ভাষাই হয়েছে তার ভাবনা ও ভাবনা প্রকাশের মাধ্যম। অর্থাৎ তার নিজের ভাষা হলো বাংলাভাষা। এখন, মায়ের ভাষাকেই যদি বলি মাতৃভাষা, তবে বলতে হয় যে গোরার নিজের ভাষা বাংলা হলেও মাতৃভাষা আইরিশ। কথাটা কি একান্তই হাস্যকর শোনাবে না? গোরার গর্ভধারিণী মাতার ভাষা বাংলা না হলেও গোরার মাতৃভাষা যে বাংলা একথা আমরা স্বীকার করতে বাধ্য। তাই যদি হয়, তবে তা ‘মাতৃভাষা’ শব্দটির অন্যতম অর্থ খুঁজে নেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।

গোরার মতো এরকম দৃষ্টান্ত শুধু উপন্যাস থেকে নয়, আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেও আহরণ করা সম্ভব। তবু প্রায় সকল মনুষ্য শিশুই গর্ভধারিণী মায়ের মুখ থেকে শুনে ভাষা শিখে থাকে বলেই সম্ভবত ‘মায়ের মুখের ভাষাই মাতৃভাষা’- এরকম ধারণা সর্বজনগ্রাহ্য হয়ে গেছে বলা যায়। এর সভ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আমাদের মনে উদয়ই হয় না। কিন্তু যুক্তির কষ্টি পাথরে যাচাই করলে এ ধারণা আমাদের পাল্টাতে হবে, অন্তত সংশোধনতো করেই নিতে হবে।

মায়ের গর্ভে অস্তিত্ব লাভ করার পর ভূমিষ্ট হয়ে পৃথিবীর আলো যেমন দেখে মানবশিশু, তেমনি দেখে মানবেতার অন্য পশুশিশুও। মানবসন্তান আর পশুসন্তানের মধ্যে এক্ষেত্রে কোনো পার্থক্যই নেই। পার্থক্যটি ঘটে এবং ঘটতে থাকে, জন্মের পরে।

পশুর সন্তান জন্ম থেকেই পশু। যেমন- ছাগলের বাচ্চা, গরুর বাচ্চা, হাতির বাচ্চা ছাগল গরু হাতি হয়েই জন্মায়, সারাজীবন ছাগল গরু হাতি হয়েই থাকে, অন্যকিছু হয় না- হতে পারে না। সব পশুর বাচ্চাই এরকম। কেবল মানুষের বাচ্চাই অন্যরকম। মানুষ জন্ম থেকেই মানুষ নয়, জন্মের পর তাকে মানুষ হয়ে উঠতে হয়। কথাটা নিশ্চয়ই আক্ষরিক অর্থে সত্য নয়, সত্য এর মমার্থের দিক দিয়ে। আক্ষরিক অর্থের বিচারে মানুষও মানুষ হয়েই জন্ম নেয়, মানুষের বাচ্চাই মানুষ হয়; মানুষ জন্মের পর অন্য কোনো পশু হয়ে যায় না, কিংবা অন্য কোনো পশুর বাচ্চা জন্মের পরে মানুষ হয়ে যেতে পারে না। কিন্তু মর্মার্থের দিক দিয়ে বিচার করলে দেখা যাবে: বিশ্বাস-সংস্কার-মূল্যবোধ, যুক্তিবিচার, সৃজন-মনন, আচার-আচরণ ইত্যাদি যা কিছু মানুষের মনুষ্যত্বকে ধারণ করে, তার কোনোকিছু নিয়েই মানুষ জন্মায় না, এগুলোর সবকিছুই জন্মের পরে মানুষকে অর্জন করে নিতে হয়। মনুষ্যত্ব অর্জন করার জন্য তাকে নতুন জন্ম নিতে হয়, এই নতুন জন্মের জন্য অন্যতম এক মায়ের গর্ভকে আশ্রয় করতে হয়। সেই মা হচ্ছে ভাষা। এই ভাষা-মা-ই তাকে পশু থেকে আলাদা করে, মানুষরূপে তাকে নতুন জন্ম দেয়। মানুষের যা কিছু পশু থেকে স্বতন্ত্র, সেসবের প্রথমটি হচ্ছে মানুষের চিন্তাশক্তি; মানুষ চিন্তা করতে পারে, পশু চিন্তা করতে পারে না। বাইরের উদ্দীপকে পশু কেবল সাড়া দেয়, সেই সাড়া দেবার শক্তি সে জন্ম থেকেই সঙ্গে করে নিয়ে আসে। কিন্তু বাইরের উদ্দীপকে সাড়া দেয়ার চেয়ে মানুষ আরো অন্য কিছু, অতিরিক্ত কিছু করতে পারে। বাইরের বস্তুকে, এবং বস্তু থেকে তার মস্তিষ্কে প্রতিফলিত উদ্দীপককে, সে বিচার-বিশ্লেষণ করতে পারে। এই বিচার বিশ্লেষণ সে করে তার চিন্তা দিয়ে। একদিকে মানুষের এই চিন্তা, আর অন্যদিকে বাইরের উদ্দীপনায় পশুর নিছক সাড়াদান বা প্রতিক্রিয়া গুণগতভাবেই এ দুটো বিষয় সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ভিন্নতাই পশু ও মানুষের মধ্যে ভিন্নতা নিয়ে এসেছে।

চিন্তা করার শক্তিই মানুষকে পশু থেকে ভিন্ন বানায় বটে, কিন্তু এই চিন্তার আধার হচ্ছে মানুষের ভাষা। ভাষা ছাড়া চিন্তা করা অসম্ভব। ভাষার সাহায্যে আমরা আমাদের চিন্তাকে প্রকাশ করি- একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু প্রায়শই খেয়াল করে দেখি না; ভাষা শুধু আমাদের চিন্তার প্রকাশ মাধ্যমই নয়, চিন্তাকে আমরা ধারণও করি ভাষা দিয়েই। আমাদের ভাষা না থাকলে আমরা চিন্তা করতাম কী দিয়ে? ধরা যাক, এই মুহুর্তে আমি চিন্তা করছি: ‘লেখাটা শেষ করেই আমি হাঁটতে যাবো।’ চিন্তা করছি মানে: এই কথাগুলো, কথার শব্দগুলো আমি মনে মনে উচ্চারণ করে যাচ্ছি, মুখে বলছি না। মুখে না বললেও মনে মনে যা উচ্চারণ করছি, সে তো ভাষা আর কিছুই নয়। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ওই কথাগুলো মুখে উচ্চারণ করে ফেলেই তাকে বলছি ভাষা। অর্থাৎ একটি ঘটনাই অনুচ্চারিত থাকলে তাকে বলছি চিন্তা, আর উচ্চারিত হয়ে গেলেই বলছি ভাষা। তার মনে চিন্তা হচ্ছে অনুচ্চারিত ভাষা, আর ভাষা হচ্ছে উচ্চারিত চিন্তা। চিন্তা মানে মনে-মনে কথা বলা, আর কথা বলা মানে জোরে জোরে চিন্তা করা।

চিন্তা ও ভাষার সম্পর্ক নিয়ে এখানে অত্যন্ত সরলভাবে যা বলে ফেললাম, এ দু’য়ের সম্পর্ক এতটা সরল নয় নিশ্চয়ই। তবু চিন্তা ও ভাষার সম্পর্কটি যে একান্ত ঘনিষ্ঠ, সেকথা আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তা না হলে মানুষের মাতৃভাষার তাৎপর্য ও জীবনে তার গুরুত্বের বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের ধারণা মোটেই স্পষ্ট হবে না। সেসঙ্গে একথাটাও বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন: চিন্তা আর ভাষা এ দু’য়ের কোনোটা নিয়েই মানুষ জন্মায় না। জন্মের মুহূর্তে পশুর সন্তানের মতো মানুষের সন্তানও থাকে চিন্তাহীন ও ভাষাহীন। পশুসন্তান আর মানবসন্তানে কোনো পার্থক্যই তখন থাকে না। তবে পার্থক্যটি থাকে সুপ্ত হয়ে। সেই পার্থক্যটি হচ্ছে; মানুষের সন্তানের ভেতর মানুষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেই সম্ভাবনা নিয়েই সে জন্মগ্রহণ করে; পশুর সন্তানের সেরকম কোনো সম্ভাবনাই থাকে না, সারাজীবন তাকে পশু হয়েই থাকতে হয়। মানবশিশু সেই সম্ভাবনাটিকে সুপ্ত অবস্থা থেকে জাগ্রত ও বিকশিত করে নিয়েই মানুষ হয়ে ওঠে।

কিন্তু মানবশিশুর মানুষ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাটি আপনা আপনিই বিকশিত হয় না। সমাজের ভিতর থেকেই সেটি তাকে অর্জন করে নিতে হয়, অর্জন করার জন্যই বিশেষ সমাজের ভাষাকে আশ্রয় করতে হয়, সেই ভাষাই তাকে মায়ের মতো গর্ভে ধারণ করে মানুষরূপে তার নতুন জন্ম দেয়। এ কারণেই সেই ভাষা হয়ে যায় তার মা, এর নাম তাই মাতৃভাষা। এই মাতৃভাষা, তাই, মায়ের ভাষা নয়। এই ভাষা নিজেই মা, ‘মাতৃভাষা’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘মাতৃস্বরূপিণী ভাষা’। মানুষ জীবনভর যে ভাষা দিয়ে চিন্তা করে ও চিন্তাকে প্রকাশ কে সেটি আর কোনো ভাষাই নয় সেটি একান্তই তার মাতৃভাষা। এই ভাষা-মাতার গুরুত্ব গর্ভধারিণী মায়ের চেয়ে কমতো নয়ই, এক অর্থে বেশিই বরং। গর্ভধারিণী মাতা আমাদের জন্ম দেয় ‘মানুষ হওয়ার সম্ভাবনাপূর্ণ একটি প্রাণীরূপে; আর সেরকম প্রাণী হয়ে জন্মানোর পর নতুন করে আবার আরেক মায়ের অর্থাৎ মাতৃভাষার গর্ভে র্পুষ্ট হয়েই আমরা পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠি। গর্ভধারিণী মানবী মায়ের কোল ছেড়েই আমরা বৃহত্তর জীবনে প্রবেশ করি, সে জীবনযাপন করার জন্য সে মানবী মায়ের আর কোনো প্রয়োজন থাকে না। কিন্তু আমাদের চিন্তা ও চিন্তার প্রকাশ যেহেতু মাতৃভাষা দিয়েই করতে হয়, এবং সেরূপ না করে যেহেতু আমাদের মানুষী-অস্তিত্বই রক্ষা করতে পারি না, সেহেতু ভাষা-মাতা বা মাতৃভাষার কোলে সারাজীবন, সারাক্ষণই আমাদের অবস্থান করতে হয়। এই মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়লে অস্তিত্বই অর্থহীন হয়ে পড়ে।

মাতৃভাষা ছাড়া অন্য ভাষাও আমরা শিখে নিতে পারি বটে। অন্য ভাষাতেও আমাদের চিন্তাকে প্রকাশ করতে পারি অবশ্যই, তবে সে ভাষায় চিন্তা করতে পারি কিনা সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে যথেষ্ট। অন্য ভাষা শেখা মানে মাতৃভাষায় ভাবিত ভাবনাকেই অন্য ভাষায় অনুবাদ করে নেয়ার পদ্ধতিটি আয়ত্ত করে ফেলা। গভীর অনুশীলন ও প্রতিনিয়ত ব্যবহারের মধ্যদিয়ে সেই আয়ত্ত করাটা এমন হয়ে যেতে পারে যে, তখন অন্যভাষা ব্যবহারকে মাতৃভাষার অনুবাদ বলে মনেই হয় না। এরকম দক্ষ ব্যবহারকারীর নিজেরও মনে হতে পারে যে তিনি যেন ওই অন্য ভাষাতেই চিন্তা করছেন, মাতৃভাষার সঙ্গে সে চিন্তার কোনো সম্পর্ক নেই। তখন ওই অপর ভাষাটিও তার মাতৃভাষার মতনই হয়ে যায়। তবে, বলা উচিত: ‘মাতৃভাষার মত’ই হয় কেবল, মাতৃভাষা হতে পারে না। খুবই হালকা চালে যদি বলি, তবে ওই ভাষাটিকে বড়োজোর ‘শাশুড়ি ভাষা’ বলতে পারি। শাশুড়ি মায়ের মতো হলেও হতে পারে, কিন্তু সত্যিকারের মা হতে পারে না কখনও হতে যে পারে না।,

যেকোনো জনগোষ্ঠীরও মৌলিক পরিচয় তার মাতৃভাষাই। জনগণের অভিন্ন মাতৃভাষার সুত্রেই গড়ে ওঠে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠী। সেই বিশেষ জনগোষ্ঠীটি আস্তে আস্তে নানাভাবে বিভক্ত হয়ে যায়। এর ভেতর দেখা দেয় নানারকম ভেদ-বিভেদ।

কোনো ভাষারই যেমন কোনো ধর্মীয় চরিত্র নেই, যেকোনো ভাষার মানুষই যেমন যেকোনো ধর্মের অনুসারী হতে পারে; তেমনি ভাষার কোনো শ্রেণিচরিত্রও নেই, শ্রেণিভাষা বলে কোনো ভাষাও থাকতে পারে না; যে কোনো ভাষার মানুষই যেকোনো শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। অর্থাৎ শ্রেণিবিভক্ত সমাজে শ্রেণি সংগ্রামই ইতিহাসের চালিকাশক্তি হলেও একই জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত পরস্পরবিরোধী শ্রেণিগুলোর মাতৃভাষা অভিন্ন। জার্মান, ইংরেজ, রুশ বা বাঙালি ধনিকদের মতো শ্রমিকদেরও মাতৃভাষা, জার্মান, ইংরেজি, রুশ বা বাংলা। এই একটি বিষয়েই ধনিকে-শ্রমিকে তথা শ্রেণিতে শ্রেণিতে কোনো তফাত নেই, মাতৃভাষার পরিচয়টাই কেবল কোনো জনগোষ্ঠীকে শ্রেণির ঊর্ধ্বে স্থাপন করে।

লেখক পরিচিতি: কবি,লেখক,কলামিস্ট ও সাংবাদিক
mohsinjournalist3@gmail.com