চাঁদপুরে ইমামের পরকীয়া ঠেকাতে স্ত্রীর মামলা

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় প্রবাসী এক ইমামের পরকীয়ার ঘটনা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। স্বামীর পরকীয়া রুখতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ইমামের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা আক্তার। গৃহবধূর অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেছেন আদালতের বিচারক। পুলিশ একজনকে আটক করে সোমবার (১৩ মে) আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

পরকীয়ার ঘটনাটি হাজীগঞ্জের ঐতিহাসিক বড় মসজিদের সাবেক ইমাম ও বর্তমান হিসাব রক্ষক মাওলানা রফিক আহম্মদের ছেলে কাতার প্রবাসী হাফেজ মোহাম্মদ উল্লাহ ফারুকীকে নিয়ে। রোববার (১২ মে) রাতে মাওলানা রফিক আহম্মদের বাসা থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফাতেমা বেগমকে আটক করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা রফিক আহম্মেদের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ ফারুকী বর্তমানে কাতার একটি মসজিদে ইমামতি করছেন। সে ফাতেমা বেগমকে গোপনে বিয়ে করেছেন। কাতার থেকে কাউকে না জানিয়ে দেশে এসে অনেক নাটকীয়তার পর পুনরায় বিদেশে পাড়ি দেন। সেখান থেকে স্ত্রী আসমাকে ডিভোর্স দেবে বলে হুমকি দেন। এক সন্তান নিয়ে আসমা প্রায় দেড় বছর বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

গৃহবধু আসমা জানান, স্বামী দেশে থাকা অবস্থায় পরকীয়ার বিষয়গুলো দেখেছি। একাধিকবার মোবাইলের ম্যাসেঞ্জারে কথা বলার দৃশ্য স্ক্রিনশট দিয়ে রেখেছি। আমাকে বিয়ের পূর্বেও সে একটি বিয়ে করেছিল। তারা বাবার কাছে অভিযোগ দিয়ে কোন সুরাহা পাইনি।

তিনি বলেন, এখন তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমার সঙ্গে যোগাযোগ নেই। আমি সন্তান নিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি আমার স্ত্রীর মর্যাদা ফেরত চাই।

আসমা আক্তার চাঁদপুর আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুড়ী ও দুই ননদকে আসামি করা হয়।

নাবা/১৪মে/তারেক