খামারে স্বাবলম্বী হচ্ছে কুষ্টিয়ার মানুষ

গরু মোটাতাজাকরণ ও দুগ্ধ খামারে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কুষ্টিয়া জেলার অসংখ্য নারী-পুরুষ। তবে একদিকে গো-খাদ্যের উচ্চ মূল্য অন্যদিকে মাংস ও দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় দিশেহারা খামারিরা।

বাণিজ্যিকভাবে কুষ্টিয়ায় ৬টি উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছোট বড় ৪ হাজার গরুর খামার। এসব খামারে পালন করা হয় প্রায় ৯ লক্ষ গরু। এসব খামারে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন জেলার হাজার হাজার নারী-পুরুষ। এতে জেলায় যেমন কমেছে বেকারত্বের হার, তেমনি বাড়ছে উদ্যোক্তা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় গরু মোটাতাজাকরণ ও দুগ্ধ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ।

খামারিরা বলছেন, বেকার থাকা অবস্থায় এই গরু পালন করে আমরা স্বাবলম্বী হয়েছি। সরকার আমাদের ট্রেনিং করে সাহায্য সহযোগিতা করলে আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারবো।

এ অবস্থায় গো-খাদ্যের দাম কমানোসহ উৎপাদিত মাংস ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন খামারিরা।

নারী খামারিরা বলেন, ‘আর্থিক সচ্ছলতার জন্যে আমরা গরু পালন করি। খাবারের দাম কমলে দুধ বিক্রি করে লাভবান হতে পারতাম।’

গরু পালনে দক্ষতা বৃদ্ধিতে খামারিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. সিদ্দীকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে আমরা খামারিদের সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছি।’
নাবা/সেন্ট্রাল ডেস্ক/কেএইচ/