কেমন হবে আমার শহর পর্ব-২

আমার শহর হবে অন্য শহর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একজন নাগরিক হিসেবে এটাই আমার কামনা হওয়া উচিৎ। কারণ সুন্দরকে আল্লাহ তা’য়ালাও পছন্দ করেন। এক্ষেত্রে সর্ব প্রথম আমাকেই শহর সুন্দর রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিলে কখনেই শহর অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্ন থাকতে পারে না।

শহরকে তার নিজ রূপে গড়ে তোলার উদ্যোগও প্রয়োজন আছে। পাশাপাশি সচেতনতা তৈরী করার জন্য কাজ করতে হবে। কারণ যতদিন আমরা আমাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন না আনতে পারবো, ততদিন শহর সুন্দর হবে না। যেখানে খাব সেখানেই ময়লা ফেলবো। এটা করা চলবে না। ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে ময়লা ফেলতে হবে। খাবার আইটেমগুলোর মধ্যে এখন প্যাকেটে চিহ্ন দেয়া আছে ডাস্টবিনে ফেলুন।

চাঁদপুর পৌরসভা থেকেও শহরের বিভিন্ন স্থানে বড় ও ছোট সাইজের ডাস্টবিন তৈরী করা প্রয়োজন। উদ্যোগটা পৌরসভা নিলে এগিয়ে আসবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। পূর্বেও চাঁদপুরে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে ডাস্টবিন তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু বেশীদিন টিকেনি। এটি স্থায়ীভাবে করার চিন্তা করা প্রয়োজন।
শহর থেকে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে রাখা ও পরবর্তীতে পৌরসভা কর্তৃক অপসারণ করার বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে সচেতনতনা তৈরী করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিতে হবে জনপ্রতিনিধি (কাউন্সিলর), শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, ব্যবসায়ী সংগঠন, স্বেচ্ছসেবী সংগঠনসহ ছাত্র সমাজকে। শহরের প্রত্যেক বাসিন্দাকে বুঝিয়ে চিন্তার পরিবর্তন আনতে হবে। যখন মানুষ নিজ থেকে সচেতন হবে, তখনই শহর সুন্দর হয়ে উঠবে।

‘ইলিশের বাড়ী চাঁদপুর’ ব্র্যান্ডিং হয়েছে আমাদের জেলা। এ জেলাকে দেশ ও বিশে^র মাঝে তুলে ধরার জন্য সকলে এগিয়ে আসবেন এমনটিই প্রত্যাশা।

এমএমএ/