কৃষককে ক্ষতি থেকে বাঁচাতে আসছে ‘শস্য বীমা’

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন জেলায় অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলহানীর ক্ষতি থেকে কৃষককে বাঁচাতে আসছে ‘শস্য বীমা’। পরীক্ষামূলকভাবে এই বীমা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলহানির ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক। এ থেকে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি থেকে কৃষকদের রক্ষার্থে ‘শস্য বীমা’একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা হবে।

এছাড়া বৃহৎ প্রকল্পের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পদের বীমা দেশীয় বীমা কোম্পানির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক কোম্পানির সঙ্গে যৌথ বীমা সম্পাদনের ব্যবস্থা করা হবে। লস অব প্রফিট এর জন্য বীমা চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে। কারখানা শ্রমিকদের জন্য দুর্ঘটনাজনিত বীমা বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার গবাদিপশু বীমা চালু করা, দরিদ্র নারীদের ক্ষুদ্র বীমার আওতায় আনার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা এবং সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালুর পরিকল্পনা করেছে। বীমা খাতে ডিজিটাইজেশন ও এর পেনিট্রেশন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। জীবন বীমা আমাদের দেশে অনেক দুর্বল, এটাকে জনপ্রিয় করা গেলে এটা অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

যদিও অসুস্থ থাকায় শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজেট বক্তৃতা পড়েন। আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন মিলে জাতীয় বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

নাবা/ ডেস্ক/রাজু