ইরানের পাল্টা হামলা হবে ‘অনুশোচনা সৃষ্টিকারী’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা ও সহকারী মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি বলেছেন, শত্রুর যেকোনো আগ্রাসনের মোকাবিলায় ইরানের জবাব হবে কঠোর ও অনুশোচনা সৃষ্টিকারী।

তিনি গতকাল বুধবার তেহরানে এক অনুষ্ঠানে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতনের আলামতগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

ইসলামি বিপ্লবের পর গত ৪০ বছরে ইরান প্রতিনিয়ত আরো বেশি শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দুর্বলতর হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইরানের পানিসীমায় মার্কিন  অত্যাধুনিক ও রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম ড্রোন ভূপাতিত করার প্রতি ইঙ্গিত করে জেনারেল রহিম সাফাভি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পক্ষে ইরানের অবস্থান।

কিন্তু তাই বলে আগ্রাসী শক্তিকে যে বিনা জবাবে ছেড়ে দেয়া হবে না তা মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করে প্রমাণ করেছে ইরান।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র সাবেক প্রধান কমান্ডার রহিম সাফাভি বলেন, শত্রু  ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিতে পারে, কিন্তু সে হুমকি বাস্তবায়ন করলে তাকে চরমভাবে অনুতপ্ত হতে হবে।

গত ২০ জুন ভোররাতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ‘গ্লোবাল হক’ মডেলের একটি অত্যাধুনিক গোয়েন্দা ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার কথা উল্লেখ করে তিনি এসব কথা বলেন।

  ড্রোনটি পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে ইরানের পানিসীমার আকাশে ঢুকে পড়ার পর এটিতে তিন দফা সতর্ক করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিন বা আইআরজিসি।

কিন্তু সতর্কবার্তা না শুনে ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমার আরো ভেতরে ঢুকতে চাইলে এটিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ভূপাতিত করে আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ডিভিশন।

মার্কিন সরকার নিজের অত্যাধুনিক ড্রোন হারানোর স্বীকারোক্তি দিলেও সম্মান হারানোর ভয়ে দাবি করেছে, ইরান আন্তর্জাতিক পানিসীমায় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

কিন্তু ইরান ভূপাতিত ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শন করে প্রমাণ করেছে, এটি ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল। সুত্র: পার্স টুডে।

নাবা/ ডেস্ক/তানিয়া রাত্রি