আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও বাংলাদেশের সহজ জয়  

ত্রিদেশীয় সিরিজে ইতিমধ্যে দুই দেখায় দুবারই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। বাকি ছিলো স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড। আজ তাদের বিপক্ষেও জয় তুলে নিল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। আর এই জয়ের মাধ্যমে অপরাজিত থেকেই টুর্নামেন্টের ফাইনাল যাচ্ছে সফরকারী বাংলাদেশ।

বুধবার আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের দেওয়া ২৯২ রানের টার্গেট ৪২ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার বাংলাদেশ। এই নিয়ে দেশের বাইরে টানা তিন ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

ডাবলিনে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং লিটন কুমার দাস। নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন লিটন। আর পাওয়া সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তামিমের সঙ্গে যোগ্য সঙ্গী হয়ে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। দুইজন মিলে গড়ে তোলেন ১১৭ রানের জুটি। ৫৭ রানে তামিমের ফেরায় ভাঙে ওপেনিং জুটি।

তামিমের পর সাকিবকেও দারুণভাবে সঙ্গ দেন লিটন। ছোট-বড় শটে এগুতে থাকেন সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭৬ রানে থামতে হয় তাকে। লিটন-তামিম ফিরলে সাকিব-মুশফিকদের আত্নবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে হেসে-খেলেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ। তার সঙ্গে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন সাব্বির রহমান।

এরআগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেনি আয়ারল্যান্ড। দলীয় ২৩ রানেই পেসার রুবেল হোসেনে কাটা পড়েন ওপেনার ম্যাককালাম। এরপর বেলব্রিনকে নিজের ওয়ানডের প্রথম শিকার বানান আবু জায়েদ রাহী।

কিন্তু ততক্ষণে ক্রিযে থিতু হয়ে পড়েন পল স্টার্লিং। মাঝে দুইবার জীবন পেয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেন এই ওপেনার। পোর্টারফিল্ডকে নিয়ে রীতিমত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন স্টার্লিং। তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি।

সেঞ্চুরি স্পর্শ করতে ১২৭ বল মোকাবেলা করেন স্টার্লিং।  তারআগে ৫১ বলে চারটি চার ও দুই ছক্কায় ছুঁয়েছিলেন পঞ্চাশ। পঞ্চাশ থেকে শতরানে যাওয়ার পথে ৭৬ বলে মাত্র দুটি বাউন্ডারি আসে তার ব্যাট থেকে।

ভয়ংকর হতে থাকা স্টার্লিং-পোর্টারফিল্ডের জুটি ৪৫ তম ওভারে ভাঙেন রাহী। প্রথমে ৯৪ রানে পোর্টারফিল্ডকে ফেরানোর পর স্টার্লিংকেও  সাজঘরের পথ দেখান রাহী। ফেরার আগে ১৪১ বলে ১৩০ রান করেন স্টার্লিং। দুই আগ্রাসী ব্যাটসম্যান ফেরার পর শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের কল্যানে শেষ পর্যন্ত ২৯২ রানে থামে স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের হয়ে ৫৮ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন রাহী। ২ উইকেট সংগ্রহ করেন সাইফউদ্দিন।

(নাবা/ ১৫ মে/এইচএ)