আ’লীগের আরও ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা

নাগরিক বার্তা ডেস্ক:  আওয়ামী লীগ আরও ১২২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয় ধাপে মোট ১২৯টি উপজেলায় নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, এটি তালিকা প্রকাশের দ্বিতীয় ধাপ। ১৯ সদস্যের মনোনয়ন বোর্ড এ তালিকা চূড়ান্ত করেছে। দ্বিতীয় ধাপের বাকি ৭টি উপজেলা গোপালগঞ্জের হওয়ায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে সেখানকার স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত করবেন বলেও জানান তিনি। ১২২ উপজেলায় আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-

রংপুর বিভাগ : ঠাকুরগাঁও সদরে অরুণাংশু দত্ত টিটো, পীরগঞ্জে মো. আখতারুল ইসলাম, রানীশংকৈলে মো. সাইফুল হক, হরিপুরে মো. জিয়াউল হাসান, বালিয়াডাঙ্গীতে মো. আহসান হাবীব বুলবুল। রংপুর সদরের পীরগাছায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন, তারাগঞ্জ মো. আনিছুর রহমান, বদরগঞ্জে ফজলে রাব্বি, কাউনিয়া আনোয়ারুল ইসলাম, পীরগঞ্জে নূর মোহাম্মদ মণ্ডল, গঙ্গাচড়ায় মো. রুহুল আমিন। গাইবান্ধা জেলা সদরে শাহ সারোয়ার কবীর, সাদুল্যাপুরে মো. সাহারিয়া খান, গোবিন্দগঞ্জে মো. আবদুল লতিফ প্রধান, ফুলছড়ির জিএম সেলিম পারভেজ, সাঘাটা এসএম সামশীল আরেফিন, পলাশবাড়ীতে একেএম মোকছেদ চৌধুরী। দিনাজপুর সদরে ইমদাদ সরকার, কাহারোলে একেএম ফারুক, বিরলে একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, বোচাগঞ্জে মো. আফছার আলী, চিরিরবন্দরে মো. আহসানুল হক, ফুলবাড়ীতে মো. আতাউর রহমান মিল্টন, বিরামপুরে মো. পারভেজ কবীর, হাকিমপুরে মো. হারুন উর রশীদ, বীরগঞ্জে মো. আমিনুল ইসলাম, নবাবগঞ্জে মো. আতাউর রহমান, পার্বতীপুরে মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, খানসামায় মো. সফিউল আযম চৌধুরী, ঘোড়াঘাটের মো. আবদুর রাফে খন্দকার।

রাজশাহী বিভাগ : বগুড়া সদরে মো. আবু সুফিয়ান, নন্দীগ্রামে মো. রেজাউল আশরাফ, সারিয়াকান্দিতে অধ্যক্ষ মুহম্মদ মুনজিল আলী সরকার, আদমদীঘিতে মো. সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, দুপচাঁচিয়ায় মো. মিজানুর রহমান খান, ধুনটে মো. আবদুল হাই (খোকন), শাজাহানপুরে মো. সোহরাব হোসেন, শেরপুরে মো. মজিবর রহমান মজনু, শিবগঞ্জে মো. আজিজুল হক, কাহালুতে মো. আবদুল মান্নান, গাবতলীতে এএইচএম আজম খান এবং সোনাতলায় মো. মিনহাদুজ্জামান লিটন। নওগাঁ সদরে মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক), আত্রাইয়ে মো. এবাদুর রহমান প্রামাণিক, নিয়ামতপুরে ফরিদ আহমেদ, সাপাহারে মো. শামছুল আলম শাহ্ চৌধুরী, পোরশায় মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ধামইরহাটে মো. আজাহার আলী, বদলগাছীতে মো. আবু খালেদ বুলু, রানীনগরে মো. আনোয়ার হোসেন, মহাদেবপুরে মো. আহসান হাবীব, পত্নীতলায় মো. আবদুল গাফফার, মান্দায় মো. জসিম উদ্দীন। পাবনা সদর উপজেলায় মো. মোশারোফ হোসেন, আটঘরিয়ায় মো. মোবারক হোসেন, বেড়ায় আবদুল কাদের, ভাঙ্গুরায় মো. বাকি বিল্লাহ, চাটমোহরে সাখাওয়াত হোসেন সাখো, ঈশ্বরদীতে মো. নুরুজ্জামান বিশ্বাস, সাঁথিয়ায় মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুজানগরে শাহীনুজ্জামান এবং ফরিদপুরে খলিলুর রহমান সরকার।

ঢাকা বিভাগ : ফরিদপুর সদর উপজেলায় মো. আবদুর রাজ্জাক মোল্লা, বোয়ালমারীতে এমএম মোশাররফ হোসেন, চরভদ্রাসনে মো. কাউছার, সদরপুরে এইচএম শায়েদীদ গামাল লিপু, সালথায় মো. দেলোয়ার হোসেন, আলফাডাঙ্গায় এসএম আকরাম হোসেন, মধুখালীতে মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু, নগরকান্দায় মো. মনিরুজ্জামান সরদার এবং ভাঙ্গায় মো. জাকির হোসেন মিয়া।

সিলেট বিভাগ : সিলেট সদর উপজেলায় আশফাক আহমেদ, বিশ্বনাথে মো. নুনু মিয়া, দক্ষিণ সুরমায় মো. আবু জাহিদ, বালাগঞ্জে মো. মোস্তাকুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জে মো. জাহাঙ্গীর আলম, গোয়াইনঘাটে মো. গোলাম কিবরিয়া হেলাল, জৈন্তাপুরে লিয়াকত আলী, কানাইঘাটে আবদুল মোমিন চৌধুরী, জকিগঞ্জে মো. লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, গোলাপগঞ্জে ইকবাল আহমেদ চৌধুরী, বিয়ানীবাজারে আতাউর রহমান খান। মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মো. রফিকুল ইসলাম, জুড়ীতে গুলশান আরা মিলি, কুলাউড়ায় মো. কামরুল ইসলাম, রাজনগরে মো. আকছির খান, মৌলভীবাজার সদরে মো. কামাল হোসেন, কমলগঞ্জ মো. রফিকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল রনধীর কুমার দেব।

চট্টগ্রাম বিভাগ : নোয়াখালীর হাতিয়ায় মাহবুব মোর্শেদ, চট্টগ্রাম সদরে সন্দ্বীপ উপজেলায় মো. শাহজাহান, সীতাকুণ্ডে এসএম আল মামুন, রাঙ্গুনিয়ায় খলিলুর রহমান চৌধুরী, ফটিকছড়িতে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মীরসরাইয়ে মো. জসিম উদ্দিন, রাউজানে একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, হাটহাজারীতে এসএম রাশেদুল আলম।

রাঙ্গামাটির কাউখালীতে মো. সামশু দোহা চৌধুরী, রাঙ্গামাটি সদরে শহীদুজ্জামান মহসীন, রাজস্থলীতে উবাচ মারমা, লংগদুতে মো. আবদুল বারেক সরকার, বিলাইছড়িতে জয় সেন তঞ্চঙ্গ্যা, কাপ্তাইয়ে মফিজুল হক, বরকলে সবির কুমার চাকমা, জুড়াছড়িতে রূপ কুমার চাকমা, বাঘাইছড়ির মো. ফয়েজ আহমেদ।

খাগড়াছড়ি সদরে মো. শানে আলম, মানিকছড়িতে মো. জয়নাল আবেদীন, লক্ষ্মীছড়িতে বাবুল চৌধুরী, দীঘিনালায় মো. কাশেম, মহালছড়ি ক্যজাই মার্মা, পানছড়িতে বিজয় কুমার দেব, মাটিরাঙ্গায় মো. রফিকুল ইসলাম, রামগড়ে বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী।

বান্দরবান সদরে একেএম জাহাঙ্গীর, রোয়াংছড়িতে চহাইমং মারমা, আলীকদমে জামাল উদ্দীন, থানছিতে থোয়াই হলা মং মারমা, লামায় মো. ইসমাইল, রূমায় উহলাচিং মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়িতে মোহাম্মদ শফিউল্লাহ্। কক্সবাজারের চকরিয়ায় গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১২৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১৮ মার্চ। এর আগে ১০ মার্চ ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের উপজেলা নির্বাচন। প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৮৭ প্রার্থীর নাম শনিবারই প্রকাশ করে আ’লীগ।

এবার পাঁচ ধাপে ভোট হবে। ১০ মার্চ ও ১৮ মার্চের পর তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ হবে ভোটগ্রহণ। পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ১৮ জুন। জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের প্রার্থীদের নামের তালিকা ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারির সভায় তা চূড়ান্ত হবে।

তৃণমূল থেকে আসা নামের তালিকা নিয়ে হাজারও অভিযোগ জমা পড়ে আ’লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে। এ নিয়েও কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক। দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে পাকেরহাট কলেজের (সরকারিকরণের ঘোষণা আসা) প্রভাষক মো. শফিউল আজম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তারপরও কোনো সমস্যা থাকলে আমরা যাচাই করে দেখব। ইতিমধ্যে মনোনয়ন পাওয়াদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য আসার খবর নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এমন অভিযোগ থাকলে খতিয়ে দেখব, প্রয়োজনে তাদের মনোনয়ন বাতিল করব।

দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে তারেক রহমানের স্কাইপি কথোপকথন নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, স্কাইপ তো নিয়ন্ত্রিত নয়। এটা অপপ্রচার হলেও মিশাইল ব্যবহার করেও বন্ধ করা যাবে না। সংসদ নির্বাচন নিয়ে জেলায় বিএনপির মামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, মামলা করতেই পারে। মোস্ট ওয়েলকাম। আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই। মামলা-নালিশ এগুলো নিয়েই তো থাকতে হবে।

এমএমএ/