অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডর দূতাবাসে গুপ্তচরবৃত্তি করেছেন: মরেনো

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মরেনো বলেছেন জুলিয়ান  অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডর দুতাবাসকে গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন। ইকুয়েডর  অ্যাসাঞ্জ এর  রাজনতৈকি আশ্রয় বাতিল করার পর দুতাবাসের ভেতরই গ্রেফতার হন তিনি।

যৌন নিপিড়ন সহ আরো একাধিক অভিযোগ মাথায় নিয়ে অ্যাসাঞ্জ প্রায় সাত বছর ইকুয়েডর দুতাবাসে ছিলেন।এ দীর্ঘ সময় তিনি গুপ্তচরবৃত্তি করেন বলে মরেনো অভিযোগ করেছেন।তবে অ্যাসাঞ্জ এর  আইনজীবী বলেছেন  দূতাবাস থেকে ব্রিটিশ পুলিশের  হাতে অ্যাসাঞ্জ কে তুলে দেয়ার ঘটনা চাপা দিতেই এ অভিযোগ বানান মরেনো।

যেটা সত্য নয়।এদিকে মরেনো বলেছেন আমরা কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেইনা। অ্যাসাঞ্জ নিয়ম ভঙ্গ করেছেন বলে  এ  সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাছাড়া তার শরীরও তখন ভাল ছিল। ব্রিটিশ  জনপ্রিয়  সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে  দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মরেনো বলেন ইকুয়েডরের আগের সরকার বিভিন্ন দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপকারীকে থাকার জায়গা দিয়েছিল।

মরেনো ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর অ্যাসাঞ্জ এর আশ্রয় বাতিলের জন্য কাজ শুরু করেন। প্রায় ৭ বছর পর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  মরেনো আরো বলেন অস্থিতিশিলতা কে আমরা ঘৃনা  করি।

কারন আমরা সব দেশের রাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইকুয়েডর কে একজন গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র বানাবে তার জন্য আমরা ঘর দরজা খুলে দিতে পারিনা।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেনঅ্যাসাঞ্জ কে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠাতে হলে ওয়াশিংটন কে বৃটেনে একটি মামলা করতে হবে। সুত্র: বিবিসি।

নাবা/ তানিয়া রাত্রি