অলস সময় কাটছে বিজিএমইএ’র মাল সরাতে আসা শ্রমিকদের

কথা ছিলো বিজিএমইএ ভবনের থেকে মালামাল সরানোর কাজ করতে হবে। তাই সকাল ৮ টার দিকে শ্রমিকরা আসেন ভবনের সামনে। কিন্তু ভবনের গেটে পুলিশ, ঝুলছে রাজউকের তালা। তাই সকাল থেকে অলস সময় পার করছেন বিজিএমইএ মালামাল সরানোর কাজ করতে আসা শ্রমিকরা।

দিন মজুর হিসেবে কাজ করা এই সকল শ্রমিকদের আনা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালামাল সরানোর জন্য।

প্রতিদিন ৬০০ টাকা হাজিরায় কাজ করেন তারা। ভাতের বাটি আর ঝুড়ি, কোদাল নিয়ে কাজে গেলেও আজ এসেছেন বিজিএমইএ ভবনের মালামাল সরানোর কাজে। কিন্তু ভবনের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারায় সবাই অলস সময় পার করছেন।

কেউ মোবাইলে গান শুনে আবার কেউ নিজেদের মধ্যে কথা বলে সময় পার করছেন রাজধানীর কড়াইল এলাকা থেকে আসা এই সকল শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের সরদার আপেল মাহমুদ নাগরিক বার্তাকে জানান, আমরা এসেছি এই ভবনের ১৪ তলার বিজিএমইএর নিজস্ব অফিসের মালামাল সরাতে। গেট বন্ধ থাকায় সবাই বসে আছি। আমাদের মত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালামাল সরানোর কাজে আসা শতাধিক শ্রমিক অলস সময় পার করছে।

মালামাল সরানোর কাজে আসা শ্রমিকদের মত অলস সময় পার করছেন জেনারেটর, এসি, ও ইলেক্ট্রিসিটির কাজে আসা মেকানিকরা। এছাড়াও বিজিএমইএ ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরতরাও অপেক্ষা করছেন নিজেদের মালামাল সরানোর শেষ সুযোগের আশায়।

ডিবিএল গ্রুপের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই ভবনে আমাদের ৪ টি ফ্লোর। প্রায় ৪৮ হাজার বর্গ ফুটের অফিস থেকে কি একদিনেই সব মালামাল সরানো সম্ভব। ভবনের ভিতরে আমাদের প্রায় ৯৫ ভাগ আসবাবপত্র রয়েছে। আমরা অপেক্ষা করছি রাজউকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

উলেখ্য, প্রায় ৭ বছরের আইনি লড়াই শেষে হেরে গিয়ে এই ভবন ছাড়ছে বিজিএমইএ। কিন্তু গত ১২ তারিখ ভবন ছাড়ার সময় শেষ হলেও এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানই পুরোপুরি মালামাল সরিয়ে নিতে পারেনি।। এরই মধ্যে গতকাল(মঙ্গলবার) কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে দেয়ার পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ভবনের মূল গেট সিলগালা করে দেয় রাজউক।
নাবা/সেন্ট্রাল ডেস্ক/কেএইচ/