অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক

ছবি: সংগ্রহীত।

নাগরিক বার্তা ডেস্ক: বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী আবাসিক পরিচালক কিমিয়াও ফ্যান বলেছেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। কিমিয়াও ফ্যান রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বিশ্বব্যাংকের আবাসিক পরিচালক গত এক দশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অসাধারণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ঘনবসতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ অসাধারণ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।কিমিয়াও ফ্যান বাংলাদেশের দারিদ্র্যবিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেন। প্রেস সচিব বলেন, আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুও উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকার দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বলেন, ‘১৯৭৫-এর পর এ উন্নয়ন সামরিক শাসকদের হাতে চরমভাবে অবহেলিত হয়েছে।’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সরকার তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন নিরলসভাবে কাজ করছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের প্রতি তাঁর সরকারের অঙ্গিকার সামগ্রিক। ‘আমরা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে চাই।’বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়ন তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতেও বিরাট অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো একটি উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশ হওয়া।’

শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকের আবাসিক পরিচালককে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে তিনি কিভাবে মায়েদের প্রণোদনা দেয়ার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করেছেন তা অবহিত করেন।বেসরকারি খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বেসরকারি খাতে সকল ক্ষেত্র উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এমএমএ/