অভূতপূর্ব উন্নয়ন করায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর

চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করায় ও দলকে অতীতের চেয়ে শক্তিশালী করায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী সরকার দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলম,এমপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।

চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-২ আসনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারনা শুরু হয়েছে। চা দোকানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষণ।

সুত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালে ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। তিনি ২০০৮ সালে চাঁদপুর-১ কচুয়া আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় ১০ বছরে এলাকার বিভিন্ন মুখী উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের নিকট একজন যোগ্য এমপি হিসাবে আস্থা অর্জন করেছেন।

চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির বাস্তবায়নকৃত কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছেন। উপজেলায় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়,উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ভবন, বহু ব্রীজ-কালভার্ট নির্মান করা করেছেন। অনেক প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর জানায়। প্রতিটি জনসভায় নিজেকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চেয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চাচ্ছেন। দলীয় নেতা কর্মীরা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের তালিকা সম্বলিত লিফলেট প্রতিটি হাট-বাজার, প্রতিষ্ঠান ও অফিসে বিতরণ করে চলেছেন।

জাতীয়, দলীয়, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদী এবং দরিদ্র পরিবারের বিবাহ সাদি গুলোতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করাতে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাড়াও ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক আওয়ামীলীগ সহ সহযোগি সংগঠনের সদস্য নিয়ে শক্তিশালী কমিটি গঠন, উঠান বৈঠক, প্রতিটি ইউনিয়নে সভা সমাবেশে নারী পুরুষের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন করায় দলীয়-কর্মী বাহিনী উজ্জেবিত হয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য সত্যিই ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীরের যোগ্য নেতৃত্বের প্রমান রাখেন। নির্বাচনের আগে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন করে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে জনসভা করে সরকারের সফলতার কথা সাধারন মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ায় আওয়ামীলীগ সরকারের ব্যাপক জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এমএমএ/