১১ ছাত্রীকে জোরপূর্বক চুল কেটে দিলেন প্রধান শিক্ষক

১১ ছাত্রীকে জোরপূর্বক চুল কেটে দিলেন প্রধান শিক্ষক

শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার উকিলপাড়া ২৯ নম্বর ডিএম খালী বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল‌য়ে ১১ জন ছাত্রীকে জোড়পূর্বক চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। 

জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১১ জন শিক্ষার্থীর চুল জোড়পূর্বক কেটে দেন দপ্তরি জুম্মান উকিল। এ ঘটনার তদন্তে এসে প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তরা।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার উকিলপাড়া ২৯ নং ডিএম খালী বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল‌য়ের ৫ম শ্রেণিতে ১৯জন শিক্ষার্থী রয়েছে যার মধ্যে ১৩ জনই ছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাবেরী গোপ ১৩ জন ছাত্রীর মধ্যে ১১ জন ছাত্রীর চুল কেটে দিয়েছেন। চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মশিউল আজম ও গোলাম মোস্তফা তদন্ত করেছেন। তদন্তে ছাত্রীদের চুল কেটে নেয়ার বিষয়টির সত্যতা মিলেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একটি প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

ঘটনাটি স্বীকার ক‌রে বলেন প্রধান শিক্ষক কাবেরী গোপ বলেন, 'অভিভাবকদের এর আগে আমি কয়েকবার বলেছি। কিন্তু তারা কথা শোনেননি। মানসম্মত শিক্ষার জন্যই আমি ওদের চুল কেটে দিয়েছে। মানসম্মত শিক্ষার সঙ্গে চুল কাটার সম্পর্ক কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সব কিছু শিক্ষারই অংশ। আর সব কিছু ম্যানুয়ালে থাকে না।'

জেলা প্রাথামিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'আমি বিষয়টি জেনেছি। শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেয়া দুঃখজনক ঘটনা। তদন্তে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন উপ-পরিচালকের বরাবর পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাবা/ডেস্ক/কেএ

রিলেটেড নিউজঃ

    মতামত দিন