অর্থ আত্মসাত মামলা: নুরে মদিনা’র অধ্যক্ষ কারাগারে

অর্থ আত্মসাত মামলা: নুরে মদিনা’র অধ্যক্ষ কারাগারে
১১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আদালত নুরে মদিনা ক্যাডেট একাডেমির অধ্যক্ষ মুফতি রাগিব আহসানের জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন। এ সময় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আসামি রাগিব আহসান হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

মামলায় আসামি পক্ষে জামিনের আবেদন শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিমতির সভাপতি এ্যাডভোটে গাজী শাহ আলম ও সনাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আছাদুজ্জামান খান রচিসহ কয়েকজন আইনজীবী। জামিনের আবেদনের বিরোধীতা করে শুনানি করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী জাহানার আক্তার। 

আসামি মামলার বিষয়ে অবগত হয়ে গত ৩০ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিনের আবেদন করলে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে হাজিরের শর্তে ৪ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন। 

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, বাদীর সহিত আসামি মুফতি রাগিব আহছান পূর্ব পরিচিত এবং তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় সুসম্পর্ক বজায় ছিল। আসামি তার প্রয়োজনের কথা বলে বিভিন্ন সময় বাদীর নিকট থেকে বিপুল পরিমান অর্থ পরিশোধ করার শর্তে গ্রহণ করেন। 

অর্থ গ্রহণের সময় বাদীকে বিভিন্ন তারিখে একাধিক চেক প্রদান করেন। চেকগুলির মধ্যে দুটি চেকে বাদী আসামির নিকট হইতে পাওনা ১১,২০,০০,০০০/ (এগার কোটি বিশ লক্ষ টাকা)। 

টাকাগুলি বাদীকে দেই দিচ্ছি বলে আসামি কালক্ষেপণ করে এবং বাদী সড়ল বিশ্বাসে আসামির ১০ কোটি টাকার একটি চেক নগদায়নের জন্য ব্যাংকে উপস্থাপন করতে পারে নাই। অপর চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে অপর্যাপ্ত তহবিল মন্তব্যে তা ডিজআনার হয়। 

এ বিষয়ে বাদী পক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে আসামিকে লিগ্যাল নোটিশ দেন। পরবর্তীতে আসামি পক্ষ বাদী পক্ষকে আপোষ মীমাংসার জন্য প্রস্তাব দেয় এবং আপোষের জন্য বসার পর বিবাদী ও ৫/৭ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়। এসময় সন্ত্রাসীরা বাদীকে গালিগালাজ করেন এবং আসামি উচ্চ কন্ঠে বাদীর পাওনা টাকা পরিশোধ করিবেনা বলে জানায়। 

বাদী কখনো টাকা দাবী করিলে বাদী ও তার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। এ অভিযোগে ২১ মে শেখ হুমায়ুন কবিরের পক্ষে আবতাব হোসাইন বাদী হয়ে আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নাবা/ডেস্ক/কেএইচ/

রিলেটেড নিউজঃ

    মতামত দিন