পশুর হাটে কালা পাহাড় ও যুবরাজের দাপট!

পশুর হাটে কালা পাহাড় ও যুবরাজের দাপট!

ঢাকার গাবতলীর গরুর হাট কাপাচ্ছে রাজবাড়ীর ৩২মন ওজনের কালা পাহাড় ও ২৮মন ওজনের যুবরাজ। আজ বৃহষ্পতিবার ওই গরু দুটির মালিক মোঃ কাসেদ খান একটি ট্রাক ভাড়া করে গাবতলীর হাটে নিয়ে গেছেন। তিনি তার আদরের গরু দুটির দাম হাকচ্ছেন ১২লাখ ও ৮লাখ টাকা। তবে তিনি ১৮ লাখ টাকা দাম পেলে গরু ২টি বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন। 

রাজবাড়ীর ইলিশকোল গ্রামের  আদর্শ খামারী কাসেদ খান জানালেন,তার পালের কালা পাহারের বয়স ৪ বছর, সাড়ে ৮ ফুট লম্বা, উচ্চতা ৭ ফুট ও তার ওজন ৩২ মণ, দাম ১২ লক্ষ টাকা। বিশাল আকৃতির রুপ নিয়ে গরুটি ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছে কাঁচা ঘাস,খড়,খৈল ও ভুট্টা-গমের ভুসি-ছাল খেয়ে।

খামারী কাসেদ খান দাবি করেন,কোনও রকম ষ্ট্রেরয়েট জাতীয় টেবলেট বা অন্য কোন কৃত্রিম উপায়ে তার খারের ১৩টি গরু মোটাতাজা করা হয় নাই। সম্পূর্ন প্রকৃতিক উপায়ে নিজ জমির কাঁচা ঘাস আর খড়-খৈল খাওয়ানো হয়েছে। একই খামারে অপর একটি এড়ে গরু রয়েছে যার নাম যুুবরাজ। তার বয়স ৩ বছর, উচ্চতা ৮ ফুট, লম্বা ৬ ফুট, ওজন ২৮ মণ দাম চেয়েছেন ৮ লক্ষ টাকা। 

গত বুধবার সকালে জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের ইলিশকোল গ্রামের গরুর খামার মালিক কৃষক মো. কাছেদ আলী খানের বাড়ীতে গরুর খামারে গিয়ে দেখা মেলে তার নিজ খামারে ছোট বড় মোট  ১৩টি বিভিন্ন উন্নত জাতের মান-সম্পন্ন গরু বাঁধা রয়েছে। ওই ১৩ টি গরুর মধ্যে তার নিজ পালের একটি কালো রঙের এড়ে গরু তার নাম কালা পাহাড়।

জেলার বহরপুর ইউনিয়নের ইলিশকোল গ্রামের গরুর খামার মালিক কৃষক কাছেদ আলী খান সাংবাদিকদের জানান,আমার নিজ পালে ৪ বছর পূবে একটি এড়ে বাছুর জম্মালে তার নাম রাখা হয়েছিল কালা পাহাড়। কালা পাহাড়টি তার মায়ের দুধ খেয়ে ও সার ছাড়া বিষ মুক্ত গাঁস খেয়ে ধীরে ধীরে বড় হতে হতে বর্তমান সাড়ে ৮ ফুট লম্বা, উচ্চতা ৭ ফুট ও ৩২ মণ ওজন হয়ে বেড়ে উঠেছে। তিনি আরো জানান, ৩ বছর পূবে আরো একটি কালো রঙের এড়ে বাছুর জম্মালে তার নাম রেখেছিলাম যুবরাজ। যুবরাজের উচ্চতা ৮

ফুট, লম্বা সাড়ে ৬ ফুট, ওজন ২৮ মণ হয়ে উঠেছে। কালা পাহাড় দাম ১০ লক্ষ ও যুবরাজের দাম ৬ লক্ষ সর্বমোট এই গুর দুইটির ওজন ৬০ মণ দাম ১৬ লক্ষ টাকা। এলাকাতে বিক্রয় না হলে আমি ঢাকায় নিয়ে আমার নিজ পালের পালিত আদরের কালা পাহাড় ও যুবরাজের বিক্রয় করবো বলে আশা করছি।

জেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডাঃ ফজলুল হক জানান, জেলাতে ঈদুল আয্হা উপলক্ষে কোরবানীর জন্য প্রায় ৪৫হাজার গরু ও ছাগল প্রস্তুত রয়েছে। বহরপুর ইউনিয়নের কাছেদের খামারে ১৩ টি গরু রয়েছে তার মধ্যে কালা পাহাড় ও যুবরাজ দেখার মত। উল্লেখিত খামারটিতে উপজেলা ও জেলা  প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা  বিভিন্ন সময়ে খোজ খবর নেওয়াসহ পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

রাজবাড়ীরবহরপুর,সোনাপুর,জামালপুর,তেতুলিয়া,বালিয়াকান্দি,শালমারা,রামদিয়া,পাংশা,কালুখালি,গোয়ালন্দ,কুটির হাট,হাবাসপুর হাটসহ বিভিন্ন হাট বাজারে পশুর হাট গুলোতে ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয় বিভিন্ন খামার মালিক ও কৃষকের গৃহ পালিত পশু কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু, ছাগল ভেড়া হাটে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আনায় এতে জুমে উঠেছে ঈদের হাট।


নাবা/ডেস্ক/হাফিজ

    মতামত দিন